নেত্রকোনায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ৩০
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমির বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সোমা আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। রোববার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত সোমা আক্তার (৩০) ওই গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে গ্রামের নুর ইসলাম ও তাঁর প্রতিবেশী শাহীন মিয়া ও বাবুল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শাহীন মিয়া তাঁদের লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে এস্কেভেটর দিয়ে মাটি কাটতে যান। এ সময় নুর ইসলামের পক্ষের লোকজন বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সোমা আক্তারকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে নয়জনকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সাতজনের অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য আহতর
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমির বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সোমা আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।
রোববার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত সোমা আক্তার (৩০) ওই গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে গ্রামের নুর ইসলাম ও তাঁর প্রতিবেশী শাহীন মিয়া ও বাবুল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শাহীন মিয়া তাঁদের লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে এস্কেভেটর দিয়ে মাটি কাটতে যান। এ সময় নুর ইসলামের পক্ষের লোকজন বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সোমা আক্তারকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতদের মধ্যে নয়জনকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সাতজনের অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি মাকসুদ বলেন, জমি সংক্রান্ত সংঘর্ষের ঘটনায় এক নারী নিহত হয়েছেন। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এইচ এম কামাল/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?