নোয়াখালীর তিন গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সদর উপজেলার তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে দুই উপজেলার তিনটি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বসন্তবাগ মুন্সীবাড়ি জামে মসজিদ, জিরতলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ফাজিলপুর দায়রা বাড়ি জামে মসজিদ এবং নোয়াখালী পৌরসভার পশ্চিম সাহাপুর রশিদিয়া রহমানিয়া আল কাদেরী দায়রা খানকা শরিফ জামে মসজিদে ঈদের এসব জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা দীর্ঘ বছর ধরে বড় পীর হযরত আবু মুহাম্মদ মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বসন্তবাগ, ফাজিলপুর ও পশ্চিম সাহাপুর গ্রামের অনুসারীরা আজ ঈদ উদযাপন করেন। এরমধ্যে উত্তর বসন্তবাগ মুন্সীবাড়ি জামে মসজিদে ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা বদরুল ইসলাম। এই জামাতে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মুসল্লি অংশ নেন। অন্যদিকে, ফাজিলপুর দায়রা বাড়ি জামে মসজিদে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জ
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সদর উপজেলার তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে দুই উপজেলার তিনটি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বসন্তবাগ মুন্সীবাড়ি জামে মসজিদ, জিরতলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ফাজিলপুর দায়রা বাড়ি জামে মসজিদ এবং নোয়াখালী পৌরসভার পশ্চিম সাহাপুর রশিদিয়া রহমানিয়া আল কাদেরী দায়রা খানকা শরিফ জামে মসজিদে ঈদের এসব জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা দীর্ঘ বছর ধরে বড় পীর হযরত আবু মুহাম্মদ মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বসন্তবাগ, ফাজিলপুর ও পশ্চিম সাহাপুর গ্রামের অনুসারীরা আজ ঈদ উদযাপন করেন।
এরমধ্যে উত্তর বসন্তবাগ মুন্সীবাড়ি জামে মসজিদে ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা বদরুল ইসলাম। এই জামাতে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মুসল্লি অংশ নেন। অন্যদিকে, ফাজিলপুর দায়রা বাড়ি জামে মসজিদে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন মুসল্লির উপস্থিতিতে ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা সাইফুর রহমান। নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছেন। এই প্রথার ইতিহাস শত বছরেরও বেশি পুরোনো।
সুধারাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) শ্রীরাম চন্দ্র ভট্টাচার্য বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে অনুষ্ঠিত ঈদের জামাতগুলো অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ছোট পরিসরে আয়োজিত এই জামাতগুলোর বিষয়ে অনেক সময় স্থানীয়রা পুলিশকে আগে থেকে অবহিত করেন না। সাধারণত বড় ধরনের জামাত হলে প্রশাসনকে জানানো হয়।
What's Your Reaction?