নোয়াখালীকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী কাছে স্মারকলিপি
নোয়াখালীকে ‘সিটি করপোরেশন’ ঘোষণা ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়ন (এনইউজে)। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলামের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি লিয়াকত আলী খানের নেতৃত্বে সংগঠনের অন্য নেতা এবং সাধারণ সদস্যরা এই স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহসভাপতি আজাদ ভূঁইয়া, সহসভাপতি তাজুল ইসলাম মানিক, এস এম রিজোয়ান, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হোসেন, কোষাধক্ষ্য কামরুল কানন, সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা লিটন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রাহাতসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন সাংবাদিকরা। স্মারকলিপিতে বলা হয়, নোয়াখালী দেশের একটি সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জেলা। বর্তমানে এই জেলায় ৯ উপজেলা, ১০ থানা ও ৮টি পৌরসভা রয়েছে। একসময় পুরো ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলাও নোয়াখালীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৩,৬৮৫.৮৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জেলার
নোয়াখালীকে ‘সিটি করপোরেশন’ ঘোষণা ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়ন (এনইউজে)।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলামের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি লিয়াকত আলী খানের নেতৃত্বে সংগঠনের অন্য নেতা এবং সাধারণ সদস্যরা এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহসভাপতি আজাদ ভূঁইয়া, সহসভাপতি তাজুল ইসলাম মানিক, এস এম রিজোয়ান, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হোসেন, কোষাধক্ষ্য কামরুল কানন, সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা লিটন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রাহাতসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন সাংবাদিকরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, নোয়াখালী দেশের একটি সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জেলা। বর্তমানে এই জেলায় ৯ উপজেলা, ১০ থানা ও ৮টি পৌরসভা রয়েছে। একসময় পুরো ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলাও নোয়াখালীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। ৩,৬৮৫.৮৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর মাইজদীতে অবস্থিত।
স্মারকলিপিতে স্থানীয় সরকার আইন ২০০৯ এর ৩(৪) ধারা অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত নোয়াখালী সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত আয়তন ৫৭ দশমিক ৬৫ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৪ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৯ জন (জনসংখ্যার ঘনত্ব ৭ হাজার ৯৪২ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে)।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নোয়াখালী পৌরসভা ও চৌমুহনী পৌরসভার দূরত্ব মাত্র ৬ কিলোমিটার। নোয়াখালী-কুমিল্লা ফোরলেন সড়কের মাধ্যমে নোয়াখালী পৌরসভার কাদির হানিফ ইউনিয়ন, একলাশপুর ইউনিয়ন ও চৌমুহনী পৌরসভা পরস্পর যুক্ত রয়েছে। এই এলাকায় পাটকল, এগ্রো প্রোডাক্ট, পোলট্রি ফিড, হ্যাচারি, ফুড অ্যান্ড বেভারেজসহ নানা শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে।
এ ছাড়া নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, বিসিক শিল্প নগরী, বিমানবন্দর ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ চলমান রয়েছে।
স্মারকলিপিতে সাংবাদিকরা জানান, গত ১ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবরে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা বিধিমালা ২১০-এর বিধি ৪ বর্ণিত শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করেছেন।
নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি লিয়াকত আলী বলেন, দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে নোয়াখালীর সর্বস্তরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি নোয়াখালীকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা। নোয়াখালী পৌরসভা, কাদির হানিফ ইউনিয়ন, নোয়ান্নই ইউনিয়নের একাংশ, একলাশপুর ইউনিয়ন ও চৌমুহনী পৌরসভাকে একত্রিত করে সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন করা হলে জেলার সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আমরা আশা করি।
What's Your Reaction?