নৌযানে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ৩
নৌযানে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মাদক পাচারের অভিযোগে এ হামলা চালায় দেশটি। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া অভিযানে সম্ভাব্য জীবিতদের উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ডকে তল্লাশি অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের এক বিবৃতিতে হামলার স্থান প্রকাশ করা হয়নি। তবে এর আগেও ক্যারিবীয় সাগর ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি নৌকা ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে চলছিল। সামরিক বাহিনীর দাবি, নৌকাগুলো পরিচিত মাদক পাচার রুটে চলছিল এবং হামলার আগে তিনটি নৌকার মধ্যে মাদক স্থানান্তর করা হয়েছিল। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রথম সংঘর্ষে প্রথম নৌকায় থাকা তিনজন ‘নার্কো-সন্ত্রাসী’ নিহত হয়। এরপর বাকি দুটি নৌকার আরোহীরা পানিতে লাফ দিয়ে নৌকা থেকে দূরে সরে যায়। পরবর্তী হামলায় ওই নৌকাগুলো ডুবে যায়। সামরিক বাহিনী জানায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ডকে অনুসন্ধা
নৌযানে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মাদক পাচারের অভিযোগে এ হামলা চালায় দেশটি। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া অভিযানে সম্ভাব্য জীবিতদের উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ডকে তল্লাশি অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মার্কিন সাউদার্ন কমান্ডের এক বিবৃতিতে হামলার স্থান প্রকাশ করা হয়নি। তবে এর আগেও ক্যারিবীয় সাগর ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকটি নৌকা ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে চলছিল। সামরিক বাহিনীর দাবি, নৌকাগুলো পরিচিত মাদক পাচার রুটে চলছিল এবং হামলার আগে তিনটি নৌকার মধ্যে মাদক স্থানান্তর করা হয়েছিল। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রথম সংঘর্ষে প্রথম নৌকায় থাকা তিনজন ‘নার্কো-সন্ত্রাসী’ নিহত হয়। এরপর বাকি দুটি নৌকার আরোহীরা পানিতে লাফ দিয়ে নৌকা থেকে দূরে সরে যায়। পরবর্তী হামলায় ওই নৌকাগুলো ডুবে যায়।
সামরিক বাহিনী জানায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ডকে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সক্রিয় করতে জানিয়েছে। তবে অন্য নৌকাগুলোর আরোহীদের ভাগ্য সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
রয়টার্সের খবরে এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আটজন ব্যক্তি নৌকা ছেড়ে সাগরে নেমে পড়েছিলেন। প্রশান্ত মহাসাগরে তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, তারা একটি সি-১৩০ বিমান মোতায়েন করেছে এবং এলাকায় থাকা অন্যান্য জাহাজের সঙ্গে সমন্বয় করছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের সময় এ ধরনের হামলায় এর আগেও জীবিত থাকার ঘটনা ঘটেছে। অক্টোবরে একটি হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া দুই ব্যক্তিকে পরে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। একই মাসে আরেকটি হামলার পর মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ একজন জীবিতকে উদ্ধারে অভিযান চালালেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, বুধবারের হামলা নিয়ে মোট নৌকা হামলার সংখ্যা ৩৩টিতে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা অন্তত ১১০ জনে পৌঁছেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের প্রবাহ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র মাদক কার্টেলগুলোর সঙ্গে ‘সশস্ত্র সংঘাতে’ জড়িত। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর চাপ বাড়াতে ওই অঞ্চলে ১৫ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েনসহ সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ, মাদুরো প্রশাসন মাদক সন্ত্রাসে জড়িত। তবে কারাকাস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলসম্পদ দখলের লক্ষ্যে সরকার উৎখাতের চেষ্টা করছে।
সোমবার ট্রাম্প জানান, ভেনেজুয়েলায় এমন একটি এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে যেখানে নৌকায় মাদক তোলা হয়—এটি দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম স্থল অভিযান বলে জানা যায়। তবে কর্মকর্তারা বলেছেন, ওই স্থল হামলা সরাসরি মার্কিন সামরিক বাহিনী চালায়নি।
What's Your Reaction?