ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বস্তাভর্তি পেঁয়াজ নদীতে ফেললেন কৃষক

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ক্ষোভে বস্তাভর্তি পেঁয়াজ নদীতে ফেলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এক কৃষক। সম্প্রতি ১ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই কৃষকের নাম আজগর আলী। গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) তিনি সোনাপুর বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে এসে দাম না পেয়ে ক্ষোভে এ কাণ্ড ঘটান। ভিডিওতে দেখা যায়, ভ্যানে থাকা বস্তাভর্তি পেঁয়াজের মুখ খুলে তিনি চন্দনা নদীতে ফেলে দিচ্ছেন। এ সময় পাশ থেকে অন্য একজনকে বলতে শোনা যায়, বাজারে পেঁয়াজের যে দাম, তাতে কৃষকের পোসায় না। তাই মনে অনেক দুঃখ নিয়ে তারা পেঁয়াজ ফেলে খালি বস্তা বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীতে সারাদেশের প্রায় ১৬ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। পেঁয়াজ উৎপাদনে এ জেলার অবস্থান দেশের মধ্যে তৃতীয়। জেলায় পেঁয়াজ বি‌ক্রির অন্যতম বৃহত্তম হাট বালিয়াকান্দির সোনাপুর বাজার। এখানে প্রতিহাটে প্রায় শতা‌ধিক ট্রাক পেঁয়াজ বেচাকেনা হয়। বর্তমানে এ হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ মাত্র ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের বাজারমূল্য অস্ব

ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বস্তাভর্তি পেঁয়াজ নদীতে ফেললেন কৃষক

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ক্ষোভে বস্তাভর্তি পেঁয়াজ নদীতে ফেলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এক কৃষক। সম্প্রতি ১ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই কৃষকের নাম আজগর আলী। গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) তিনি সোনাপুর বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে এসে দাম না পেয়ে ক্ষোভে এ কাণ্ড ঘটান। ভিডিওতে দেখা যায়, ভ্যানে থাকা বস্তাভর্তি পেঁয়াজের মুখ খুলে তিনি চন্দনা নদীতে ফেলে দিচ্ছেন। এ সময় পাশ থেকে অন্য একজনকে বলতে শোনা যায়, বাজারে পেঁয়াজের যে দাম, তাতে কৃষকের পোসায় না। তাই মনে অনেক দুঃখ নিয়ে তারা পেঁয়াজ ফেলে খালি বস্তা বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন।

ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বস্তাভর্তি পেঁয়াজ নদীতে ফেললেন কৃষক

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীতে সারাদেশের প্রায় ১৬ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। পেঁয়াজ উৎপাদনে এ জেলার অবস্থান দেশের মধ্যে তৃতীয়। জেলায় পেঁয়াজ বি‌ক্রির অন্যতম বৃহত্তম হাট বালিয়াকান্দির সোনাপুর বাজার। এখানে প্রতিহাটে প্রায় শতা‌ধিক ট্রাক পেঁয়াজ বেচাকেনা হয়। বর্তমানে এ হাটে প্রতি মণ পেঁয়াজ মাত্র ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের বাজারমূল্য অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন জেলার সাধারণ কৃষকরা। দাম না থাকায় অনেক কৃষককে হাট থেকে পেঁয়াজ ফেরত নিয়ে যেতেও দেখা গেছে।

ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বস্তাভর্তি পেঁয়াজ নদীতে ফেললেন কৃষক

কৃষক ইমরাম খান ও আমিরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সোনাপুর হাটে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা মণ পর্যন্ত পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। হাটে আমদানি অনেক। তাদের পেঁয়াজ সাড়ে ৯শ টাকা মণ বিক্রি করেছেন। পেঁয়াজ উৎপাদনের হিসেবে তারা দাম পাচ্ছেন না। পেঁয়াজের দাম ন্যূনতম ১৫০০ থেকে ২০০০ হাজার মণ হওয়া উচিত।

রুবেলুর রহমান/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow