ন্যায়বিচার চেয়ে সাফাই সাক্ষী দিলেন ক্রিকেটার নাসিরের স্ত্রী তামিমা
অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি আদালতে নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষী দিয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। আজ সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে সাফাই সাক্ষ্যের দিন ধার্য ছিল।এসময় নাসির ও তামিমা আদালতে হাজির হন। এরপর দুপুর দেড়টার দিকে তামিমা নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেন। জবানবন্দিতে তামিমা আদালতে বলেন, ‘২০১৫ সালের জুলাই মাস সাউদিয়া এয়ারলাইন্সে বিমান বালা হিসেবে চাকরি শুরু করি । নাসির হোসেন তাকে কোনোভাবে প্রলুব্ধ করেননি । তার সাথে বিবাহের আগে সেক্সচুয়াল সম্পর্ক হয়নি। ২০১৬ সালে ২৩ ডিসেম্বর মামলার বাদী রাকিব হোসেনকে তালাক দিই। তালাকের পরে বাদীর সাথে কোনো ইন্টারকোর্স হয়নি। বাদীকে তালাকের ৫ বছর পরে নাসিরের সাথে বিয়ে হয়।তালাকের নোটিশ এবং কাবিননামার ঠিকানা একই। তালাকের পরে বাদীর বাড়িতে যাইনি।’ এসময় আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান তামিমা। জবানবন্দি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান তাকে জেরা করেন। তবে তা শেষ হয়নি। আগামি ৮ এপ্রিল অবশিষ্ট জেরা এবং নাসিরের
অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি আদালতে নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষী দিয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন।
আজ সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে সাফাই সাক্ষ্যের দিন ধার্য ছিল।এসময় নাসির ও তামিমা আদালতে হাজির হন।
এরপর দুপুর দেড়টার দিকে তামিমা নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেন। জবানবন্দিতে তামিমা আদালতে বলেন, ‘২০১৫ সালের জুলাই মাস সাউদিয়া এয়ারলাইন্সে বিমান বালা হিসেবে চাকরি শুরু করি । নাসির হোসেন তাকে কোনোভাবে প্রলুব্ধ করেননি । তার সাথে বিবাহের আগে সেক্সচুয়াল সম্পর্ক হয়নি। ২০১৬ সালে ২৩ ডিসেম্বর মামলার বাদী রাকিব হোসেনকে তালাক দিই। তালাকের পরে বাদীর সাথে কোনো ইন্টারকোর্স হয়নি। বাদীকে তালাকের ৫ বছর পরে নাসিরের সাথে বিয়ে হয়।তালাকের নোটিশ এবং কাবিননামার ঠিকানা একই। তালাকের পরে বাদীর বাড়িতে যাইনি।’
এসময় আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান তামিমা। জবানবন্দি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান তাকে জেরা করেন। তবে তা শেষ হয়নি। আগামি ৮ এপ্রিল অবশিষ্ট জেরা এবং নাসিরের সাফাই সাক্ষ্যের দিন রাখেন আদালত।
২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেন। এরপর ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে দোষী উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে এ মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত বছর ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। গত ১০ মার্চ মামলাটিতে আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি হয়। শুনানিতে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান।
২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি একই আদালত ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
What's Your Reaction?