পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করতে যেভাবে দোয়া করবেন
প্রশ্ন: সালামের পর আরজ এই যে, আমার একটি মেয়েকে খুব পছন্দ, যে আগে আমার বাগদত্তা ছিল। কিন্তু পারিবারিক মতপার্থক্যের কারণে তারা এই সম্পর্ক থেকে ফিরে গেছে। এখন তাদের রাজি করানোর জন্য এবং সেই মেয়ের সাথে আমার বিয়ে হওয়ার জন্য তাবিজ করা কি জায়েজ হবে? অথবা আপনারা যদি কোনো আমল (অজিফা) বলে দিতেন, আমি আপনাদের জন্য সবসময় দোয়া করব। (দারুল ইফতা, দারুল উলুম দেওবন্দ) উত্তর (দারুল ইফতা, দারুল উলুম দেওবন্দ): ১. তাবিজের ব্যাপারে পরামর্শ আপনার তাবিজের চিন্তায় পড়ার প্রয়োজন নেই। বরং কিছু অভিজ্ঞ ও সমঝদার মানুষকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে মেয়ের পরিবারকে রাজি করানোর চেষ্টা করুন। ২. বিশেষ আমল এই বিষয়ে আল্লাহর কাছেও দোয়া করুন। পাশাপাশি প্রতিদিন এশার নামাজের পর এবং ঘুমানোর আগে ১১১১ বার ‘ইয়া লতিফু’ (یا لطیف) পাঠ করুন। আমলটির শুরু এবং শেষে দরুদ শরিফ পড়তে হবে। ৩. নিয়ত ও লক্ষ্য এই আমলটি করার পর সংশ্লিষ্ট মেয়েটির সাথে বা অন্য কোনো উপযুক্ত পাত্রীর সাথে বিয়ের জন্য দোয়া করার রুটিন তৈরি করুন। আল্লাহ চাইলে আপনার উদ্দেশ্য সফল হবে। আল্লাহই ভালো জানেন। উল্লেখ্য, ইসলামি শরিয়ত একজন মুসলিমকে আল্লাহর কাছে দোয়া করার ক্ষেত্র
প্রশ্ন: সালামের পর আরজ এই যে, আমার একটি মেয়েকে খুব পছন্দ, যে আগে আমার বাগদত্তা ছিল। কিন্তু পারিবারিক মতপার্থক্যের কারণে তারা এই সম্পর্ক থেকে ফিরে গেছে। এখন তাদের রাজি করানোর জন্য এবং সেই মেয়ের সাথে আমার বিয়ে হওয়ার জন্য তাবিজ করা কি জায়েজ হবে? অথবা আপনারা যদি কোনো আমল (অজিফা) বলে দিতেন, আমি আপনাদের জন্য সবসময় দোয়া করব। (দারুল ইফতা, দারুল উলুম দেওবন্দ)
উত্তর (দারুল ইফতা, দারুল উলুম দেওবন্দ):
১. তাবিজের ব্যাপারে পরামর্শ
আপনার তাবিজের চিন্তায় পড়ার প্রয়োজন নেই। বরং কিছু অভিজ্ঞ ও সমঝদার মানুষকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে মেয়ের পরিবারকে রাজি করানোর চেষ্টা করুন।
২. বিশেষ আমল
এই বিষয়ে আল্লাহর কাছেও দোয়া করুন। পাশাপাশি প্রতিদিন এশার নামাজের পর এবং ঘুমানোর আগে ১১১১ বার ‘ইয়া লতিফু’ (یا لطیف) পাঠ করুন। আমলটির শুরু এবং শেষে দরুদ শরিফ পড়তে হবে।
৩. নিয়ত ও লক্ষ্য
এই আমলটি করার পর সংশ্লিষ্ট মেয়েটির সাথে বা অন্য কোনো উপযুক্ত পাত্রীর সাথে বিয়ের জন্য দোয়া করার রুটিন তৈরি করুন। আল্লাহ চাইলে আপনার উদ্দেশ্য সফল হবে। আল্লাহই ভালো জানেন।
উল্লেখ্য, ইসলামি শরিয়ত একজন মুসলিমকে আল্লাহর কাছে দোয়া করার ক্ষেত্রে একটি শর্ত জুড়ে দিয়ে দোয়া করার পরামর্শ দেয়। তাই কেউ যদি সুনির্দিষ্ট বা কাঙ্ক্ষিত কাউকে বিয়ে করতে চায় বা বিয়ের ব্যবস্থাপনা সহজ হতে আল্লাহর কাছে দোয়া করে, তবে শর্তটি উল্লেখ করে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া উচিত। আর শর্তটি হলো, ‘হে আল্লাহ! তাকে (এখানে আপনার প্রিয় মানুষের নাম হবে) জীবনসঙ্গী বা জীবনসঙ্গীনী হিসেবে পাওয়া যদি সার্বিক দিক থেকে আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তবে আপনি সেটি আমার জন্য সহজ করে দিন।’
ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ ইউটিউবে তার এক আলোচনায় বলেন বলেন, এভাবে দোয়া করা প্রত্যেকের জন্য কল্যাণকর, ভালো এবং উপকারি। কেননা কোরআনুল কারিমে শর্ত জুড়ে দিয়ে এভাবে দোয়া করার বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমাদের কাছে হয়তো কোনো একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোনো একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তা তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। বস্তুত আল্লাহই জানেন, তোমরা জানো না।’ (সুরা বাকারা: ২১৬)
What's Your Reaction?