পটুয়াখালীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বজ্রপাতে আ. মান্নান হাওলাদার (৫৫) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের মম্বিপাড়া এলাকার ৩৩ কানিয়া মাছঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আ. মান্নান হাওলাদার ওই এলাকার মৃত সুলতান হাওলাদারের ছেলে। পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার ভোর ৫টার দিকে আ. মান্নান হাওলাদার আরও কয়েকজন জেলের সঙ্গে মম্বিপাড়া এলাকার ৩৩ কানিয়া মাছঘাটে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরা শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ কালবৈশাখি ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছেলে মো. মেহেদী হাসান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় বিষয়টি আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য মহিপুর থানাকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে মরদেহ বাড়িতে রাখা হয়েছে। মহিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ হালদার বলেন, ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছি। প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আসাদুজ্জামান মিরাজ/এফএ/এমএস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বজ্রপাতে আ. মান্নান হাওলাদার (৫৫) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের মম্বিপাড়া এলাকার ৩৩ কানিয়া মাছঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আ. মান্নান হাওলাদার ওই এলাকার মৃত সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার ভোর ৫টার দিকে আ. মান্নান হাওলাদার আরও কয়েকজন জেলের সঙ্গে মম্বিপাড়া এলাকার ৩৩ কানিয়া মাছঘাটে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরা শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ কালবৈশাখি ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে মো. মেহেদী হাসান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় বিষয়টি আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য মহিপুর থানাকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে মরদেহ বাড়িতে রাখা হয়েছে।
মহিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ হালদার বলেন, ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছি। প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আসাদুজ্জামান মিরাজ/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?