পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজনীতি ছাড়লেন সেই আ.লীগ নেতা

সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছাবের আহমদ স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে আজীবনের জন্য অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। স্থানীয় একটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামা সম্পাদনের মাধ্যমে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান। গত ২৫ মার্চ চট্টগ্রাম আদালত ভবনের নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে তিনি হলফনামা সম্পাদন করেন, যা ২৯ মার্চ প্রকাশিত হয়। এতে তিনি উল্লেখ করেন, জীবনের বাকি সময় তিনি আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন না। হলফনামায় তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না এবং মিছিল-মিটিংয়েও অংশ নেননি। শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক ক্লান্তির কারণে দলীয় দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে তিনি আলোচনায় আসেন। তবে ওই নির্বাচনেই তিনি জয়ী হন এবং পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পান। ২০২২ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে

পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজনীতি ছাড়লেন সেই আ.লীগ নেতা

সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছাবের আহমদ স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে আজীবনের জন্য অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। স্থানীয় একটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামা সম্পাদনের মাধ্যমে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান।

গত ২৫ মার্চ চট্টগ্রাম আদালত ভবনের নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে তিনি হলফনামা সম্পাদন করেন, যা ২৯ মার্চ প্রকাশিত হয়। এতে তিনি উল্লেখ করেন, জীবনের বাকি সময় তিনি আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন না।

হলফনামায় তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না এবং মিছিল-মিটিংয়েও অংশ নেননি। শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক ক্লান্তির কারণে দলীয় দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে তিনি আলোচনায় আসেন। তবে ওই নির্বাচনেই তিনি জয়ী হন এবং পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পান। ২০২২ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

ছাবের আহমদ জানিয়েছেন, তিনি আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হবেন না। তবে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সমাজসেবামূলক কাজ চালিয়ে যাবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow