পদত্যাগের পর সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি গণঅধিকারের নেতার
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার কিছুক্ষণ পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।
আবু হানিফ তার পোস্টে বলেন, ‘পতিত আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বিদেশে চিকিৎসা করতে গিয়ে, সেখান থেকে পলাতক খুনি হাসিনার সাথে যোগাযোগ করেন। তার এই যোগাযোগকে হালকা করে দেখার সুযোগ নাই। বরং হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণার সাথে এই ফোনালাপের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আর সেখানে সব মেকানিজম করছে ভারত। সম্প্রতি সময়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা এবং আওয়ামী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ফোনালাপের বিষয় গুলো একই সূত্রে গাঁথা। বিদেশে গিয়ে হাসিনার সাথে ফোনালাপ দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকটা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে আজকে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করেছে। নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের এই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’
এর আগে শুক্
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কার্যকর হওয়ার কিছুক্ষণ পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।
আবু হানিফ তার পোস্টে বলেন, ‘পতিত আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বিদেশে চিকিৎসা করতে গিয়ে, সেখান থেকে পলাতক খুনি হাসিনার সাথে যোগাযোগ করেন। তার এই যোগাযোগকে হালকা করে দেখার সুযোগ নাই। বরং হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণার সাথে এই ফোনালাপের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আর সেখানে সব মেকানিজম করছে ভারত। সম্প্রতি সময়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা এবং আওয়ামী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ফোনালাপের বিষয় গুলো একই সূত্রে গাঁথা। বিদেশে গিয়ে হাসিনার সাথে ফোনালাপ দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকটা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে আজকে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করেছে। নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের এই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’
এর আগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তা কার্যকর হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন। তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল।