পদ্মাতে ডুবে যাওয়া বাসটি পানির ৯০ ফুট গভীরে, চলছে উদ্ধার কাজ
পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি প্রায় ৯০ ফুট গভীরে অবস্থান করছে বলে নিশ্চিত করেছে উদ্ধারকারী দল। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন। পানির অতিরিক্ত চাপে উদ্ধার অভিযানে হিমসিম খাচ্ছে ডুবুরিরা। তথ্য অনুযায়ী, বাসটি যাত্রী নিয়ে নদী পারাপারের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পানিতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে নদীর স্রোতের কারণে বাসটি দ্রুত তলিয়ে যায়। এতে বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। তবে পানির গভীরতা প্রায় ৯০ ফুট এবং প্রবল স্রোতের কারণে উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে। আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাসটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে, এখন পর্যন্ত কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। তাদের উদ্ধারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নদীর আশপাশে স্বজনদের ভিড় জমেছে, চলছে কান্না আর আহাজারি। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধার কাজ শেষ ন
পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি প্রায় ৯০ ফুট গভীরে অবস্থান করছে বলে নিশ্চিত করেছে উদ্ধারকারী দল। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন। পানির অতিরিক্ত চাপে উদ্ধার অভিযানে হিমসিম খাচ্ছে ডুবুরিরা।
তথ্য অনুযায়ী, বাসটি যাত্রী নিয়ে নদী পারাপারের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পানিতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে নদীর স্রোতের কারণে বাসটি দ্রুত তলিয়ে যায়। এতে বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। তবে পানির গভীরতা প্রায় ৯০ ফুট এবং প্রবল স্রোতের কারণে উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে। আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাসটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, এখন পর্যন্ত কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। তাদের উদ্ধারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নদীর আশপাশে স্বজনদের ভিড় জমেছে, চলছে কান্না আর আহাজারি।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথাও বলা হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।
What's Your Reaction?