পবিপ্রবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) অবস্থান কর্মসূচিতে বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সোমবার (১১ মে) দুপুর ১টা থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতা চলছে। ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। এ সময় ভিসির নির্দেশে বহিরাগতরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হামলায় ডিন, অধ্যাপক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
সভায় হামলার
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) অবস্থান কর্মসূচিতে বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সোমবার (১১ মে) দুপুর ১টা থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতা চলছে। ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। এ সময় ভিসির নির্দেশে বহিরাগতরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হামলায় ডিন, অধ্যাপক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
সভায় হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।
ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে তাকে ‘জামাতি’ ট্যাগ দিয়ে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে এবং ভিসি পদে আসার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল দেখানোর পাঁয়তারা করছে।
তিনি দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিলাম থেকে আদায়কৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা ও হিসাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ক্ষুব্ধ হন। এছাড়া বিভিন্ন অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।