পরকীয়ার অভিযোগে স্বামীর বাড়িতে ইন্টার্ন চিকিৎসক স্ত্রীর অনশন

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পুটিয়া এলাকায় স্বামীর বাড়িতে সংসার করার দাবিতে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও অনশনে বসেছেন এমবিবিএস (ইন্টার্ন) ডা. বন্যা মজুমদার। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর থেকে তিনি স্বামী  ডা. শতদল মণ্ডলের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। অনশনরত ডা. বন্যা মজুমদার অভিযোগ করেন, তার স্বামী ডা. শতদল মণ্ডলের সঙ্গে তার আপন বৌদির পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানার পর থেকেই তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার বিরুদ্ধে নানা অপবাদ ছড়িয়ে বিয়ের সময় পাওয়া স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল রেখে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো সংঘাত চাই না। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান করে স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চাই। ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমি এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।’ স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ডা. বন্যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ প্রচার করা হলেও তাদের জানা মতে সেসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তাদের দাবি, মেয়ের পরিবার আর্থিকভাবে দুর্বল হওয়ায় তার সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. শতদল মণ্ডল বলেন, ‘আমার স্ত্র

পরকীয়ার অভিযোগে স্বামীর বাড়িতে ইন্টার্ন চিকিৎসক স্ত্রীর অনশন

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পুটিয়া এলাকায় স্বামীর বাড়িতে সংসার করার দাবিতে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও অনশনে বসেছেন এমবিবিএস (ইন্টার্ন) ডা. বন্যা মজুমদার।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর থেকে তিনি স্বামী  ডা. শতদল মণ্ডলের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন।

অনশনরত ডা. বন্যা মজুমদার অভিযোগ করেন, তার স্বামী ডা. শতদল মণ্ডলের সঙ্গে তার আপন বৌদির পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানার পর থেকেই তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার বিরুদ্ধে নানা অপবাদ ছড়িয়ে বিয়ের সময় পাওয়া স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল রেখে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘আমি কোনো সংঘাত চাই না। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান করে স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চাই। ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমি এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।’

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ডা. বন্যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ প্রচার করা হলেও তাদের জানা মতে সেসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তাদের দাবি, মেয়ের পরিবার আর্থিকভাবে দুর্বল হওয়ায় তার সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. শতদল মণ্ডল বলেন, ‘আমার স্ত্রী অনশনে বসেছেন, বিষয়টি আমি জানি না। তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আইনজীবীর পরামর্শে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য কালিপদ বিশ্বাস বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সামাজিকভাবে সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সমাধান হয়নি।’

তিনি জানান, প্রয়োজনীয় যাচাইবাছাই শেষে দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে উভয় পক্ষের অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow