পরপর তিন ইনজেকশন, আদ্-দ্বীন সখিনা হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

যশোরের আদ্-দ্বীন সখিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ করেছেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসায় রোগী ইমরান হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরতলির চাঁচড়ায় অবস্থিত হাসপাতালটিতে এ ঘটনা ঘটে। ইমরান হোসেন (২৮) শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের গাজীপাড়া এলাকার শওকত হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ইমরানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে একের পর এক ইনজেকশন দেওয়া হয়। এরপরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। আরও পড়ুন আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল: ৩০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে পারবে আদ্-দ্বীন ইমরানের খালাতো ভাই ইসমাইল হোসেন দাবি করেন, প্রথম ইনজেকশনের পর থেকেই ইমরান অস্বস্তি অনুভব করেন এবং পরবর্তী ইনজেকশন না দেওয়ার অনুরোধ জানান। দ্বিতীয় ইনজেকশনের পর তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে শুরু করে। পরে আরও একটি ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা শওকত আলী ব

পরপর তিন ইনজেকশন, আদ্-দ্বীন সখিনা হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

যশোরের আদ্-দ্বীন সখিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ করেছেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসায় রোগী ইমরান হোসেনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরতলির চাঁচড়ায় অবস্থিত হাসপাতালটিতে এ ঘটনা ঘটে।

ইমরান হোসেন (২৮) শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের গাজীপাড়া এলাকার শওকত হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ইমরানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে একের পর এক ইনজেকশন দেওয়া হয়। এরপরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

ইমরানের খালাতো ভাই ইসমাইল হোসেন দাবি করেন, প্রথম ইনজেকশনের পর থেকেই ইমরান অস্বস্তি অনুভব করেন এবং পরবর্তী ইনজেকশন না দেওয়ার অনুরোধ জানান। দ্বিতীয় ইনজেকশনের পর তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে শুরু করে। পরে আরও একটি ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা শওকত আলী বিশ্বাস যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, চিকিৎসকের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

ঘটনার পর স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় লোকজন হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে ঘটনার ব্যাখ্যা দাবি করেন।

তবে হাসপাতালের পরিচালক ডা. ইমদাদ হোসেন চিকিৎসায় কোনো গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করেছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মিলন রহমান/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow