পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরের (১৪) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে একে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকায় সৌদি প্রবাসী মিঠু মিয়ার একটি বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ওই বাড়ির সামনে এক কিশোরকে মোবাইল ফোনে রহস্যজনকভাবে কথা বলতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে তারা বাড়ির ভেতরে গিয়ে কক্ষের মেঝেতে এক কিশোরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় স্থানীয়রা সেখানে উপস্থিত সন্দেহভাজন ওই কিশোরকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, আটককৃত কিশোরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, আমরা মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্ট

পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরের (১৪) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে একে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকায় সৌদি প্রবাসী মিঠু মিয়ার একটি বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ওই বাড়ির সামনে এক কিশোরকে মোবাইল ফোনে রহস্যজনকভাবে কথা বলতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে তারা বাড়ির ভেতরে গিয়ে কক্ষের মেঝেতে এক কিশোরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় স্থানীয়রা সেখানে উপস্থিত সন্দেহভাজন ওই কিশোরকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, আটককৃত কিশোরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, আমরা মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow