পরিবহন শ্রমিক রুদ্রের জীবনপ্রদীপ নিভু নিভু, আসুন পাশে দাঁড়াই

গাড়ির স্টিয়ারিং ধরলেই যার হাতে উঠে আসত সংসারের হাল, আজ সেই হাত দুটো বিছানার চাদর আঁকড়ে পড়ে আছে। চোখ দুটো খোলা, কিন্তু সামনে শুধু অন্ধকার। পাশে স্ত্রী বসে আছেন নীরবে- কাঁদতেও পারছেন না, কারণ কান্না দেখলে স্বামীর বুকটা আরও ভেঙে পড়ে। এই মানুষটির নাম বিপ্লব রুদ্র। কক্সবাজার শহরের বিকেপালন সড়কের বাসিন্দা। একজন পরিবহন শ্রমিক। যিনি রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে দিন এনে দিন খেতেন, স্ত্রী আর দুই ছেলেকে নিয়ে ছোট্ট একটা সুখের সংসার গড়েছিলেন। বড় স্বপ্ন ছিল না, ছিল শুধু একটুখানি শান্তির আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু ২০২৫ সালের জুলাই মাসে রাঙামাটিতে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় সবকিছু। দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার মেরুদণ্ড। পায়ের গুরুত্বপূর্ণ রগ ছিঁড়ে যায়। এক নিমিষেই কর্মক্ষম একজন মানুষ পরিণত হন শয্যাশায়ী রোগীতে। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ ও কষ্টকর চিকিৎসা। সুস্থ হওয়ার আশায় পরিবারের সঞ্চয়, ধার-দেনা, আত্মীয়-স্বজনের সহায়তা, যা ছিল সবই ব্যয় করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চললেও প্রয়োজনীয় উন্নত চিকিৎসার জন্য আরও বিপুল অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু সেই সামর্থ্য এখন

পরিবহন শ্রমিক রুদ্রের জীবনপ্রদীপ নিভু নিভু, আসুন পাশে দাঁড়াই

গাড়ির স্টিয়ারিং ধরলেই যার হাতে উঠে আসত সংসারের হাল, আজ সেই হাত দুটো বিছানার চাদর আঁকড়ে পড়ে আছে। চোখ দুটো খোলা, কিন্তু সামনে শুধু অন্ধকার। পাশে স্ত্রী বসে আছেন নীরবে- কাঁদতেও পারছেন না, কারণ কান্না দেখলে স্বামীর বুকটা আরও ভেঙে পড়ে।

এই মানুষটির নাম বিপ্লব রুদ্র। কক্সবাজার শহরের বিকেপালন সড়কের বাসিন্দা। একজন পরিবহন শ্রমিক। যিনি রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে দিন এনে দিন খেতেন, স্ত্রী আর দুই ছেলেকে নিয়ে ছোট্ট একটা সুখের সংসার গড়েছিলেন। বড় স্বপ্ন ছিল না, ছিল শুধু একটুখানি শান্তির আকাঙ্ক্ষা।

কিন্তু ২০২৫ সালের জুলাই মাসে রাঙামাটিতে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বদলে দেয় সবকিছু। দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার মেরুদণ্ড। পায়ের গুরুত্বপূর্ণ রগ ছিঁড়ে যায়। এক নিমিষেই কর্মক্ষম একজন মানুষ পরিণত হন শয্যাশায়ী রোগীতে। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ ও কষ্টকর চিকিৎসা। সুস্থ হওয়ার আশায় পরিবারের সঞ্চয়, ধার-দেনা, আত্মীয়-স্বজনের সহায়তা, যা ছিল সবই ব্যয় করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চললেও প্রয়োজনীয় উন্নত চিকিৎসার জন্য আরও বিপুল অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু সেই সামর্থ্য এখন আর নেই তার পরিবারের।

বর্তমানে টাকার অভাবে প্রায় চিকিৎসাহীন অবস্থায় দিন কাটছে বিপ্লব রুদ্রের। বিছানায় শুয়ে অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করা ছাড়া যেন আর কোনো উপায় নেই। যে মানুষটি একসময় পরিবারের ভরসা ছিলেন, আজ তিনি নিজেই অন্যের সহায়তার অপেক্ষায়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিপ্লবকে সুস্থ করে তুলতে আরও প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু যেখানে দুই বেলা খাবার জোগাড় করাই কঠিন হয়ে উঠেছে, সেখানে এই বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।

দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ, স্ত্রীর অসহায় চোখের জল আর নিজের বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে বিপ্লব রুদ্র আজ সমাজের বিত্তবান, মানবিক ও সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি আবারও নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান, আবারও সন্তানদের হাত ধরে পথ চলতে চান, আবারও পরিবারের মুখে হাসি ফিরিয়ে আনতে চান।

মানুষ মানুষের জন্য। আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে একটি পরিবারের বেঁচে থাকার অবলম্বন। আপনার দেওয়া ছোট্ট সহায়তা হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে একজন বাবার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন, বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের শেষ আশার আলো। মানবিক কারণে বিপ্লব রুদ্রের চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে চাইলে যোগাযোগ বা সহায়তা পাঠাতে পারেন: বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৮৯০৫০৪০৮৮।

আসুন, আমরা সবাই মিলে একজন অসহায় শ্রমিকের পাশে দাঁড়াই। হয়তো আমাদের সামান্য সহমর্মিতাই তার জীবনের নিভু নিভু প্রদীপকে আবারও আলোয় ভরিয়ে তুলতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow