পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করতে চায় বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির ডিভিশনাল ডিরেক্টর জিন পেসমে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান তিনি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাংকের চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সক্ষমতা উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বায়ু ও পানি দূষণ পর্যবেক্ষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও মতবিনিময় হয়। উভয়পক্ষই পরিবেশ সুরক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন। মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় চলমান প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিবেশ উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এগিয়ে যাচ্ছে। এসব প্রকল্প অগ্রাধিকারভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। বিশ্বব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পগুলো দ্রুত এগিয়

পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করতে চায় বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির ডিভিশনাল ডিরেক্টর জিন পেসমে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান তিনি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাংকের চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সক্ষমতা উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া বায়ু ও পানি দূষণ পর্যবেক্ষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও মতবিনিময় হয়। উভয়পক্ষই পরিবেশ সুরক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় চলমান প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিবেশ উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এগিয়ে যাচ্ছে। এসব প্রকল্প অগ্রাধিকারভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পগুলো দ্রুত এগিয়ে যাবে। সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন কোনো খাতে বিনিয়োগের প্রয়োজন হলে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। বিশেষ করে গ্রিন জব সৃষ্টি, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তারা কাজ করতে চায়।

পরিবেশ সুরক্ষা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি বলেন, এ খাতে বিনিয়োগ ও অর্থায়নের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের ঋণসহায়তা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে এবং প্রয়োজনে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ নেওয়া হবে।

সাক্ষাতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশ্বব্যাংকের পরিবেশ বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

আরএএস/এএসএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow