পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিংয়ে ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক কারখানা
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্যাকেজিং শিল্পের বিকাশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস। গাজীপুরের টঙ্গী শিল্প এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক কারখানা, যেখানে বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০ মেট্রিক টন বায়োডিগ্রেডেবল (পচনশীল) ও পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) টঙ্গীর শিল্প এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে কারখানাটির উদ্বোধন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধাররা জানান, ব্র্যাক গ্রিনপ্যাকের উৎপাদিত বায়োডিগ্রেডেবল পণ্য মাত্র ছয় মাসের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে যায়। বিপরীতে প্রচলিত প্লাস্টিক সম্পূর্ণভাবে পচে যেতে ২০০ থেকে ৫০০ বছর পর্যন্ত সময় লাগে। ফলে পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিংয়ের কার্যকর ও টেকসই বিকল্প হিসেবে গ্রিনপ্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ বলেন, “পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল প্যাকেজিং সমাধানের মাধ্যমে আমরা প্লাস্টিক দূষণ কমিয়ে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে অবদান রাখতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক শুধু একটি উৎপাদন কারখানা নয়; এটি উদ্ভাবন, দায়িত্বশীল
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্যাকেজিং শিল্পের বিকাশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস। গাজীপুরের টঙ্গী শিল্প এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক কারখানা, যেখানে বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০ মেট্রিক টন বায়োডিগ্রেডেবল (পচনশীল) ও পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) টঙ্গীর শিল্প এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে কারখানাটির উদ্বোধন করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধাররা জানান, ব্র্যাক গ্রিনপ্যাকের উৎপাদিত বায়োডিগ্রেডেবল পণ্য মাত্র ছয় মাসের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে যায়। বিপরীতে প্রচলিত প্লাস্টিক সম্পূর্ণভাবে পচে যেতে ২০০ থেকে ৫০০ বছর পর্যন্ত সময় লাগে। ফলে পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিংয়ের কার্যকর ও টেকসই বিকল্প হিসেবে গ্রিনপ্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ বলেন, “পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল প্যাকেজিং সমাধানের মাধ্যমে আমরা প্লাস্টিক দূষণ কমিয়ে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে অবদান রাখতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক শুধু একটি উৎপাদন কারখানা নয়; এটি উদ্ভাবন, দায়িত্বশীল ব্যবসা এবং পরিবেশের প্রতি ব্র্যাকের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রতীক।”
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে কারখানাটিতে প্রতি মাসে ১২ থেকে ১৫ মেট্রিক টন পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং উৎপাদিত হচ্ছে। তবে পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হলে বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০ মেট্রিক টন উৎপাদন সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে প্রতি বছর সমপরিমাণ প্রচলিত প্লাস্টিক প্যাকেজিংয়ের ব্যবহার প্রতিস্থাপন করা যাবে, যা পরিবেশে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, বিশ্বে প্রতি বছর ৪০০ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি প্লাস্টিক উৎপাদিত হয়, যার প্রায় ৪০ শতাংশই ব্যবহৃত হয় প্যাকেজিং খাতে। এ প্রেক্ষাপটে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে বায়োডিগ্রেডেবল প্যাকেজিংয়ের ব্যবহার বাড়ানো সময়ের দাবি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার সাব্বির আহমেদ, ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ঊর্ধ্বতন পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?