‘পরীক্ষা কেন্দ্রের বাথরুমে নকল পাওয়া গেলে কেন্দ্র সচিব দায়ী থাকবেন’
পরীক্ষা কেন্দ্রের বাথরুমে নকল পাওয়া গেলে কেন্দ্র সচিব দায়ী থাকবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ‘এবার মানসম্মত এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে শুধু নকল নয়, ঠিকমতো শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে কি না, তাও দেখা হবে।’ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড, ঢাকা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘পরীক্ষার হল পরিদর্শনে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা সঙ্গী-সাথী নিয়ে যেতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের বিরক্ত করা যাবে না। সেটা কেউ করতে পারবেন না। কেন্দ্রের সচিবদের এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা ঘিরে কোনো ধরনের অহেতুক আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে বিকল্প হিসেবে আইপিএস ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।’ শিক্ষার গুণগত মানের অবনতি ও আস্থার সংকট তুলে ধরে শিক্ষ
পরীক্ষা কেন্দ্রের বাথরুমে নকল পাওয়া গেলে কেন্দ্র সচিব দায়ী থাকবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ‘এবার মানসম্মত এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে শুধু নকল নয়, ঠিকমতো শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে কি না, তাও দেখা হবে।’
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড, ঢাকা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘পরীক্ষার হল পরিদর্শনে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা সঙ্গী-সাথী নিয়ে যেতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের বিরক্ত করা যাবে না। সেটা কেউ করতে পারবেন না। কেন্দ্রের সচিবদের এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা ঘিরে কোনো ধরনের অহেতুক আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে বিকল্প হিসেবে আইপিএস ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।’
শিক্ষার গুণগত মানের অবনতি ও আস্থার সংকট তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একসময় জেলা স্কুলগুলোতে জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপারদের সন্তানরা পড়ত, যা এখন আর দেখা যায় না। এমনকি উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা ব্যবস্থার দেখভাল করা ইউএনও কিংবা খোদ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সন্তানরাও নিজেদের স্কুলে পড়ছে না। নিজের কর্মস্থলের প্রতি শিক্ষকদের এই অনাস্থা অত্যন্ত লজ্জাজনক।’
দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়নে নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্য থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিয়োগের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।’
What's Your Reaction?