পরীক্ষা না দিয়েই তালিকায় নাম, সংবাদ প্রকাশের পর নিয়োগ বাতিল

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও বাছাই তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তীতে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত জুলি বেগমের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন তথ্য সংগ্রকারী পদের সুলতান আহমেদ। অভিযোগে উল্লেখ করেন, মৌখিক পরীক্ষা গত ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে জুলি বেগম সম্প্রতি ফ্যামেলি কার্ডে তথ্য সংগ্রহকারী পদে অনুষ্ঠিত একটি নিয়োগ/বাছাই প্রক্রিয়ায় পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া সত্ত্বেও উত্তীর্ণদের তালিকায় জুলি বেগমের নাম দেখতে পান অন্য প্রার্থীরা। বিষয়টি নিয়ে প্রার্থী ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জালিয়াত নিয়ে। বিষয়টি নিয়ে দেশের জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে

পরীক্ষা না দিয়েই তালিকায় নাম, সংবাদ প্রকাশের পর নিয়োগ বাতিল

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও বাছাই তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তীতে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত জুলি বেগমের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন তথ্য সংগ্রকারী পদের সুলতান আহমেদ। অভিযোগে উল্লেখ করেন, মৌখিক পরীক্ষা গত ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে জুলি বেগম সম্প্রতি ফ্যামেলি কার্ডে তথ্য সংগ্রহকারী পদে অনুষ্ঠিত একটি নিয়োগ/বাছাই প্রক্রিয়ায় পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া সত্ত্বেও উত্তীর্ণদের তালিকায় জুলি বেগমের নাম দেখতে পান অন্য প্রার্থীরা। বিষয়টি নিয়ে প্রার্থী ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জালিয়াত নিয়ে।

বিষয়টি নিয়ে দেশের জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। তথ্যের সত্যতা যাচাই করে অনিয়মের প্রমাণ মেলায় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং অভিযুক্ত জুলি বেগমের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাতিল ঘোষণা করে।

প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে তালিকায় নাম ওঠানোর ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও বঞ্চিত প্রার্থীরা।

এ ব্যপারে অভিযোগকারী সুলতান আহমেদ বলেন, আমি অভিযোগ করেছিলাম, নির্বাহী অফিসার বরাবর। মেয়েটির নাম বাতিল হয়েছে শুনেছি, এই অনিয়ম কেন করা হলো। যে করেছে তার শাস্তির দাবি করছি।

অভিযুক্ত জুলি বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার নাম বাদ হয়েছে, তা আমি জানি না। আমি কোনো চিঠি পাইনি।

এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন জানান, বিষয়টি জানা মাত্রই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। জালিয়াতির সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, এটা চূড়ান্ত তালিকা নয়, অভিযোগের ভিত্তিতে ও তদন্ত করে জুলি বেগমের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow