পলাতক স্বামীকে ধরতে নতুন ছক

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালকসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।  গতকাল শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় নিহত শারমিন খানমের বাবা মো. সাহাদৎ মোল্লা কাপাসিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় জামাতা (শারমিনের স্বামী) পলাতক ফোরকানসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন— ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তাদের তিন মেয়ে মিম (১৪), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ফোরকান পরিবারের সদস্যদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাওয়ানোর পর গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একে একে তাদের হত্যা করে পালিয়ে যায়। শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনা

পলাতক স্বামীকে ধরতে নতুন ছক

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালকসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

গতকাল শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় নিহত শারমিন খানমের বাবা মো. সাহাদৎ মোল্লা কাপাসিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় জামাতা (শারমিনের স্বামী) পলাতক ফোরকানসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন— ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তাদের তিন মেয়ে মিম (১৪), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ফোরকান পরিবারের সদস্যদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাওয়ানোর পর গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একে একে তাদের হত্যা করে পালিয়ে যায়।

শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ঘটনাস্থল থেকে একটি লিখিত কাগজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে পারিবারিক বিরোধ, অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ ছিল বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত ফোরকান বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন কৌশলে অভিযান চালাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক আছেন।

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow