পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যা: রায়ে সন্তোষ প্রধান শিক্ষকের
পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দুই অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। শিশুটি যে স্কুলে পড়তো সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় কার্যকর করার দাবিও জানান তিনি। এই রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইল ফলক হয়ে থাকবে বলেও মনে করেন এই শিক্ষক। তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। গত ১৯ মে নিজ বাসার পাশের একটি ফ্ল্যাটে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী। ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়। ঘটনার দিনই প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জে
পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দুই অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। শিশুটি যে স্কুলে পড়তো সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তিনি জাগো নিউজকে বলেন, রায়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় কার্যকর করার দাবিও জানান তিনি।
এই রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইল ফলক হয়ে থাকবে বলেও মনে করেন এই শিক্ষক। তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।
গত ১৯ মে নিজ বাসার পাশের একটি ফ্ল্যাটে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী। ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়।
ঘটনার দিনই প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একই সঙ্গে আটক করা হয় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে। পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানাকে প্রধান আসামি এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারসহ অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় মামলাটি করা হয়।
এমডিএএ/এসএনআর
What's Your Reaction?