পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী পাচ্ছে আসামিপক্ষ
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স (রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ভুইঞা। তিনি বলেন, কিছু প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। এগুলো সম্পন্ন হলেই হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আরও পড়ুন পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যা: সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড এর আগে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের জন্য সলিসিটরকে নির্দেশ দেন। এ নির্দেশের পর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খানকে নিয়োগ দেওয়া হলো। ফৌজদারি আইনে পারদর্শী এই আইনজীবী এখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে আইনি লড়াই চালাবেন। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীতে পাশের ফ্ল্যাটে ওই শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করেন সোহেল রানা। এ অপরাধে
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স (রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ভুইঞা।
তিনি বলেন, কিছু প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে। এগুলো সম্পন্ন হলেই হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের জন্য সলিসিটরকে নির্দেশ দেন। এ নির্দেশের পর অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খানকে নিয়োগ দেওয়া হলো।
ফৌজদারি আইনে পারদর্শী এই আইনজীবী এখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে আইনি লড়াই চালাবেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীতে পাশের ফ্ল্যাটে ওই শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করেন সোহেল রানা। এ অপরাধে তাকে পূর্ণ সহায়তা করেন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। অপরাধের গভীরতা বিবেচনা করে গত ৭ জুন দুজনকেই মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।
রায়ের পর দুই আসামিকে পাঠানো হয় কনডেম সেলে। কনডেম সেল থেকে তারা রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন।
এফএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?
