পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময়
পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বেলা ১১টায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড-এর সদরদফতরে বোর্ডের কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার/জেনারেল ম্যানেজারদের অংশগ্রহণে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এস এম জিয়া-উল-আজিম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মতবিনিময় সভায় পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার চলমান কার্যক্রমের সার্বিক অবস্থা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এতে সদরদফতরের কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং পবিসগুলোর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার/জেনারেল ম্যানেজাররা অংশ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে তাদের বস্তুনিষ্ঠ মতামত তুলে ধরেন। সভায় আলোচ্
পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) বেলা ১১টায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড-এর সদরদফতরে বোর্ডের কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার/জেনারেল ম্যানেজারদের অংশগ্রহণে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এস এম জিয়া-উল-আজিম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
মতবিনিময় সভায় পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার চলমান কার্যক্রমের সার্বিক অবস্থা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এতে সদরদফতরের কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং পবিসগুলোর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার/জেনারেল ম্যানেজাররা অংশ নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে তাদের বস্তুনিষ্ঠ মতামত তুলে ধরেন।
সভায় আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল আনুপাতিক লোডশেডিং, সিস্টেম লস হ্রাস, বকেয়া আদায়, বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় জোরদার করা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আবেগ ও স্বপ্নে গড়া পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন অন্যতম সফল প্রতিষ্ঠান।
তিনি উল্লেখ করেন, আরইবি প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত, যা কৃষি বিপ্লব, খাল খনন কর্মসূচি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত।
তিনি আরও বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়নের বর্তমান মডেল একটি উৎকৃষ্ট ও পরীক্ষিত মডেল, যার পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
মন্ত্রী গ্রাহকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে পবিসের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার/জেনারেল ম্যানেজারদের নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি যেসব পবিস এখনো লাভজনক অবস্থায় পৌঁছাতে পারেনি, সেগুলোকে লাভজনক পর্যায়ে উন্নীত করার জন্যও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী সিদ্ধান্তে গড়ে ওঠা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও সফল প্রতিষ্ঠান, যা সরকারের ভর্তুকি ছাড়াই ক্রস-সাবসিডির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে—যা একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।
তিনি গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের কাছে জনগণের সন্তুষ্টিই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
তিনি আরো নির্দেশনা দেন, গ্রাহকদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখে সেবার মান বৃদ্ধি করতে হবে এবং লোডশেডিংসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক সমস্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে গ্রাহকদের অবহিত করতে হবে।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এস এম জিয়া-উল-আজিম বলেন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা এবং সরকারের প্রত্যাশা পূরণে আরইবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমকে আরো সফলতার দিকে এগিয়ে নেয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে দেশের নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) গঠন করেন। তার দূরদর্শী উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আজও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
What's Your Reaction?