পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে জয়ী ৪২ মুসলিম প্রার্থী, একজনও নেই বিজেপির
পশ্চিমবঙ্গের এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের এক তাৎপর্যপূর্ণ চিত্র ফুটে উঠেছে। নির্বাচনে জয়ী ২৯৪ জন বিধায়কের মধ্যে মোট ৪২ জন মুসলিম প্রার্থী বিধানসভায় জায়গা করে নিয়েছেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবারের নির্বাচনে কোনো মুসলিম প্রার্থীকে টিকিট দেয়নি, ফলে দলটির পক্ষ থেকে কোনো মুসলিম বিধায়কও নির্বাচিত হননি। তৃণমূল কংগ্রেস এবার মোট ৪৭ জন মুসলিম প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিল, যাদের মধ্যে ৩১ জনই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, জাতীয় কংগ্রেস ৭০ জন মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করালেও জয়লাভ করেছেন মাত্র দুইজন। বামফ্রন্ট ২৯ জন এবং ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) ২৪ জন মুসলিম প্রার্থী দিয়েছিল। এছাড়া তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বাধীন আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ৯০ জন মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় ফুরফুরা শরীফের পরিবারের সদস্য মোহাম্মদ সিদ্দিকী। তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা পোর্ট এলাকা থেকে ফিরহাদ হাকিম এবং কসবা থেকে আহমেদ জাভেদ খান জয়ী হয়েছেন। এছাড়া কালিয়াগঞ্জের আলিফা আহমেদ,
পশ্চিমবঙ্গের এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের এক তাৎপর্যপূর্ণ চিত্র ফুটে উঠেছে। নির্বাচনে জয়ী ২৯৪ জন বিধায়কের মধ্যে মোট ৪২ জন মুসলিম প্রার্থী বিধানসভায় জায়গা করে নিয়েছেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবারের নির্বাচনে কোনো মুসলিম প্রার্থীকে টিকিট দেয়নি, ফলে দলটির পক্ষ থেকে কোনো মুসলিম বিধায়কও নির্বাচিত হননি।
তৃণমূল কংগ্রেস এবার মোট ৪৭ জন মুসলিম প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিল, যাদের মধ্যে ৩১ জনই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, জাতীয় কংগ্রেস ৭০ জন মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করালেও জয়লাভ করেছেন মাত্র দুইজন। বামফ্রন্ট ২৯ জন এবং ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) ২৪ জন মুসলিম প্রার্থী দিয়েছিল। এছাড়া তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বাধীন আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ৯০ জন মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল।
গুরুত্বপূর্ণ জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় ফুরফুরা শরীফের পরিবারের সদস্য মোহাম্মদ সিদ্দিকী। তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা পোর্ট এলাকা থেকে ফিরহাদ হাকিম এবং কসবা থেকে আহমেদ জাভেদ খান জয়ী হয়েছেন। এছাড়া কালিয়াগঞ্জের আলিফা আহমেদ, মোথাবাড়ির নজরুল ইসলাম, মগরাহাটের শামীম আহমেদ, লালগোলার আব্দুল আজিজ, জলঙ্গির বাবর আলী এবং হরিহরপাড়ার নিয়ামত শেখ তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে বিধানসভায় যাচ্ছেন।
অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে রানীনগর থেকে জুলফিকার আলী এবং ফারাক্কা থেকে মোহতাব শেখ জয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ খরা কাটিয়ে বামফ্রন্টের পক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান এবং আইএসএফের পক্ষ থেকে ভাঙ্গড় আসনে নওশাদ সিদ্দিকী জয়লাভ করেছেন।
আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নওদা—এই দুটি আসনেই জয়ী হয়েছেন। তবে নিয়মানুযায়ী তিনি একটি আসন থেকে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন, যেখানে পরবর্তী সময়ে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ডিডি/কেএএ/
What's Your Reaction?