পহেলা বৈশাখ উদযাপন ভারতীয় হাইকমিশনের

পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশন ১৭ ও ১৮ এপ্রিল ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এক সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন করে। ‌‘বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে: অফ হারমনি উইদিন’ শীর্ষক সংগীত অনুষ্ঠান দুই দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী অদিতি মহসিন এবং ভারতের প্রখ্যাতশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য অংশগ্রহণ করেন।তারা দুই দেশের সংগীত, উৎসব ও সংস্কৃতির অভিন্ন ঐতিহ্যকে সুরের মাধ্যমে তুলে ধরেন। ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতাকে এগিয়ে নিয়ে চলার লক্ষ্যে এই আয়োজনটি এইচএসবিসি বাংলাদেশের সঙ্গে একটি পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারত্বের মাধ্যমে আয়োজন করা হয়। হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন তাদের জাতীয় সীমানার চেয়েও প্রাচীন ও গভীর। তিনি একই মঞ্চে দুই দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের উপস্থিতি সম্পর্কে বলেন যে, এটি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন, পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা এবং বোঝাপড়ার একটি শক্তিশালী প্রতীক। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ব্যবসা, গণমাধ্যম, শিক্ষা ও

পহেলা বৈশাখ উদযাপন ভারতীয় হাইকমিশনের

পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভারতীয় হাইকমিশন ১৭ ও ১৮ এপ্রিল ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এক সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন করে। ‌‘বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে: অফ হারমনি উইদিন’ শীর্ষক সংগীত অনুষ্ঠান দুই দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী অদিতি মহসিন এবং ভারতের প্রখ্যাতশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য অংশগ্রহণ করেন।তারা দুই দেশের সংগীত, উৎসব ও সংস্কৃতির অভিন্ন ঐতিহ্যকে সুরের মাধ্যমে তুলে ধরেন। ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতাকে এগিয়ে নিয়ে চলার লক্ষ্যে এই আয়োজনটি এইচএসবিসি বাংলাদেশের সঙ্গে একটি পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারত্বের মাধ্যমে আয়োজন করা হয়।

jagonews24

হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন তাদের জাতীয় সীমানার চেয়েও প্রাচীন ও গভীর। তিনি একই মঞ্চে দুই দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের উপস্থিতি সম্পর্কে বলেন যে, এটি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন, পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা এবং বোঝাপড়ার একটি শক্তিশালী প্রতীক।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ব্যবসা, গণমাধ্যম, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক জগতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow