পাঁচ বছরে আন্তর্জাতিক মানের ৫০০ ক্রীড়াবিদ তৈরির লক্ষ্য জামায়াতের

খেলোয়াড়দের মাসিক বৃত্তি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ স্পোর্টস সায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি তাদের ইশতেহারে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরির ওপর প্রধান্য দিয়েছে। পাশাপাশি জামায়াত ইসলামী যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের মাসিক বৃত্তি, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণে সহায়তা এবং স্পোর্টস সায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছে। শুধু সরকারী সহায়তায় খেলাধুলার উন্নয়ন সম্ভব নয়। বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকও প্রয়োজন। জামায়াত ইসলামী সরকার গঠন করলে স্পন্সরশিপ সংগ্রহে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করেছে। সুস্থ-সবল তরুণ ও যুবসমাজ গড়ে তোলার জন্য মহল্লাভিত্তিক ব্যায়ামাগার, খেলার মাঠ ও সুইমিং পুলের ব্যবস্থা করবে জামায়াতে ইসলাম। দলটি এ ব্যাপারে বেসরকারি উদ্যোগকে উৎসাহিত করবে। অলিম্পিকসহ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টগুলোতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার অঙ্গীকারও করেছে জামায়াতে

পাঁচ বছরে আন্তর্জাতিক মানের ৫০০ ক্রীড়াবিদ তৈরির লক্ষ্য জামায়াতের
  • খেলোয়াড়দের মাসিক বৃত্তি
  • বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ
  • স্পোর্টস সায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি তাদের ইশতেহারে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরির ওপর প্রধান্য দিয়েছে। পাশাপাশি জামায়াত ইসলামী যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের মাসিক বৃত্তি, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণে সহায়তা এবং স্পোর্টস সায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছে।

শুধু সরকারী সহায়তায় খেলাধুলার উন্নয়ন সম্ভব নয়। বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকও প্রয়োজন। জামায়াত ইসলামী সরকার গঠন করলে স্পন্সরশিপ সংগ্রহে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করেছে।

সুস্থ-সবল তরুণ ও যুবসমাজ গড়ে তোলার জন্য মহল্লাভিত্তিক ব্যায়ামাগার, খেলার মাঠ ও সুইমিং পুলের ব্যবস্থা করবে জামায়াতে ইসলাম। দলটি এ ব্যাপারে বেসরকারি উদ্যোগকে উৎসাহিত করবে। অলিম্পিকসহ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টগুলোতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার অঙ্গীকারও করেছে জামায়াতে ইসলাম।

খেলাধুলার উন্নয়নে প্রতিভা অন্বেষণের বিকল্প নেই। জামায়াতে ইসলাম জাতীয় পর্যায়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার জন্য প্রতি বছর দেশব্যাপি ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ কর্মসূচি আয়োজন করবে।

ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগ বহুদিনের। জামায়াত সেই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে চায়। ক্রীড়াঙ্গনকে সিন্ডিকেট ও দলীয় প্রজ্ঞাবমুক্ত করে দক্ষ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করবে দলটি। দেশীয় খেলাধুলাকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও সংরক্ষণ করার কথাও বলেছে জামায়াতে ইসলাম। এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে হাডুডু, কুস্তি ও নৌকা বাইচকে।

আরআই/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow