পাঁচ মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড গ্রাম, নিহত ১
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় মাত্র পাঁচ মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে পুরো গ্রাম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এ সময় ঘরের ওপর গাছচাপা পড়ে এক অটোচালকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে উদয়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আকমান (৬২) ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে হঠাৎ করেই কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। মাত্র ৫ মিনিট স্থায়ী এই ঝড়ে গ্রামের ওপর দিয়ে টর্নেডোর মতো তীব্র বাতাস বয়ে যায়। ঝড়ের প্রচণ্ডতায় গ্রামের কয়েকশ গাছ উপড়ে পড়ে যায়। এছাড়া অসংখ্য ঘরবাড়ি ও বিদ্যুতের পোল বিধ্বস্ত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় আকমান নিজের ঘরেই অবস্থান করছিলেন। ঝড়ের তীব্রতায় একটি বিশাল গাছ শিকড়সহ উপড়ে তার ঘরের ওপর পড়লে মুহূর্তেই ঘরটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এছাড়াও গ্রামের অধিকাংশ টিনের চাল উড়ে গেছে। অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছ ও ডালপালা পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় পুরো এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া আম ও লিচুর মুকুলসহ মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বুধবার রাতেই আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় মাত্র পাঁচ মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে পুরো গ্রাম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এ সময় ঘরের ওপর গাছচাপা পড়ে এক অটোচালকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে উদয়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আকমান (৬২) ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে হঠাৎ করেই কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। মাত্র ৫ মিনিট স্থায়ী এই ঝড়ে গ্রামের ওপর দিয়ে টর্নেডোর মতো তীব্র বাতাস বয়ে যায়। ঝড়ের প্রচণ্ডতায় গ্রামের কয়েকশ গাছ উপড়ে পড়ে যায়। এছাড়া অসংখ্য ঘরবাড়ি ও বিদ্যুতের পোল বিধ্বস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় আকমান নিজের ঘরেই অবস্থান করছিলেন। ঝড়ের তীব্রতায় একটি বিশাল গাছ শিকড়সহ উপড়ে তার ঘরের ওপর পড়লে মুহূর্তেই ঘরটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এছাড়াও গ্রামের অধিকাংশ টিনের চাল উড়ে গেছে। অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছ ও ডালপালা পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় পুরো এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া আম ও লিচুর মুকুলসহ মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার রাতেই আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
নিহতের পরিবারে শোকের মাতম চলছে। গ্রামের অনেকে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
What's Your Reaction?