পাকিস্তানে আফগানিস্তানের হামলা, সীমান্তে ব্যাপক সংঘর্ষ
সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তান। তালেবান কর্তৃপক্ষ বলছে, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের বিমান হামলার জবাব হিসেবেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের বাহিনীও তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কোরের মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘তীব্র সংঘর্ষ’ শুরু হয়।
তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, পাকিস্তানের সামরিক মহলের ‘পুনঃপুন উসকানি ও সীমান্ত লঙ্ঘনের’ জবাবে ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন পাকিস্তানি সামরিক অবস্থান ও স্থাপনায় ব্যাপক আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করা হয়েছে।
২ হাজার ৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্ত ‘ডুরান্ড লাইন’ নামে পরিচিত, যা আফগানিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি।
আফগান সামরিক একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, সংঘর্ষে ১০ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে এবং ১৩টি চৌকি দখল করা হয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের তথ্য ও
সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তান। তালেবান কর্তৃপক্ষ বলছে, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের বিমান হামলার জবাব হিসেবেই এ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের বাহিনীও তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কোরের মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘তীব্র সংঘর্ষ’ শুরু হয়।
তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, পাকিস্তানের সামরিক মহলের ‘পুনঃপুন উসকানি ও সীমান্ত লঙ্ঘনের’ জবাবে ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন পাকিস্তানি সামরিক অবস্থান ও স্থাপনায় ব্যাপক আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করা হয়েছে।
২ হাজার ৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্ত ‘ডুরান্ড লাইন’ নামে পরিচিত, যা আফগানিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি।
আফগান সামরিক একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, সংঘর্ষে ১০ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে এবং ১৩টি চৌকি দখল করা হয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক্সে জানায়, খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন সেক্টরে তালেবান বাহিনীর গুলির জবাবে পাকিস্তানি সেনারা ‘তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া’ দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, চিত্রাল, খাইবার, মোহমান্দ, কুররাম ও বাজাউর সেক্টরে তালেবান বাহিনীকে ‘শাস্তি’ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে আফগান পক্ষের ব্যাপক হতাহতের তথ্য পাওয়া গেছে এবং একাধিক চৌকি ও সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
তবে ১০ সেনা নিহত হওয়ার আফগান দাবির বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। পাকিস্তান সরকারের এক মুখপাত্র এক্সে লিখেছেন, কোনো পোস্ট দখল বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্রও আল জাজিরাকে জানিয়েছে, ‘উসকানিবিহীন তালেবান আগ্রাসনের’ জবাবে পাকিস্তান-আফগান সীমান্তজুড়ে আফগান বাহিনীর ওপর ‘তীব্র আক্রমণ’শুরু করা হয়েছে।
পৃথক এক সূত্র জানায়, পাকিস্তানের পাল্টা গোলাবর্ষণে লক্ষ্যবস্তু তিনটি স্থান থেকে কয়েকজন আফগান সেনা পালিয়ে যায়।
এর আগে রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগান সীমান্তবর্তী এলাকায় হামলা চালিয়ে অন্তত ৭০ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করে। তবে আফগানিস্তান এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, ওই হামলায় নারী ও শিশুসহ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন বেড়েছে। গত অক্টোবরে সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে উভয়পক্ষে ৭০ জনের বেশি নিহত হওয়ার পর থেকে স্থলবন্দরগুলো অধিকাংশ সময় বন্ধ রয়েছে।
ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, পাকিস্তানে হামলা চালানো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আফগানিস্তান ব্যর্থ হচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সূত্র : আল জাজিরা