পাঞ্জাবি টেনে ধরায় প্রতিবন্ধীর শরীরে গরম পানি ঢেলে দিলেন আ’লীগ নেতা
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পাঞ্জাবি টেনে ধরায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীর শরীরে গরম পানি ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আক্তার খালাসি নামের এক আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে বাবলু মোল্লার চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। আহত সোহেল মোল্লা (৩১) ফলিয়া গ্রামের শাহাজাহান মোল্লার ছেলে। অভিযুক্ত আক্তার খালাসি আলফাডাঙ্গা উপজেলার আওয়ামী লীগের সদস্য। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহেল মোল্লা একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাশের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে বাবলু মোল্লার চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার খালাসিসহ কয়েকজন। এসময় সোহেল মোল্লা প্রথমে আক্তার খালাসির পাঞ্জাবির হাতা টেনে ধরেন। পরে পাঞ্জাবির কলার টেনে ধরলে তার শরীরে চায়ের দোকানের কেটলির গরম পানি ঢেলে দেন আক্তার খালাসি। চায়ের দোকানদার বাবলু মোল্লা বলেন, ‘সোহেল মোল্লা একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। সে আক্তার খালাসির পাঞ্জাবি টেনে ধরায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমার দোকানের চায়ের গরম পানি তার শরীরে ঢেলে দেন।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার খালাসি বল
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পাঞ্জাবি টেনে ধরায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীর শরীরে গরম পানি ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আক্তার খালাসি নামের এক আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে বাবলু মোল্লার চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সোহেল মোল্লা (৩১) ফলিয়া গ্রামের শাহাজাহান মোল্লার ছেলে। অভিযুক্ত আক্তার খালাসি আলফাডাঙ্গা উপজেলার আওয়ামী লীগের সদস্য।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহেল মোল্লা একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাশের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে বাবলু মোল্লার চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার খালাসিসহ কয়েকজন। এসময় সোহেল মোল্লা প্রথমে আক্তার খালাসির পাঞ্জাবির হাতা টেনে ধরেন। পরে পাঞ্জাবির কলার টেনে ধরলে তার শরীরে চায়ের দোকানের কেটলির গরম পানি ঢেলে দেন আক্তার খালাসি।
চায়ের দোকানদার বাবলু মোল্লা বলেন, ‘সোহেল মোল্লা একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। সে আক্তার খালাসির পাঞ্জাবি টেনে ধরায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমার দোকানের চায়ের গরম পানি তার শরীরে ঢেলে দেন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার খালাসি বলেন, ‘প্রথমে আমার পাঞ্জাবি টেনে ধরে, পরে আমার গলা চেপে ধরলে আমি ছাড়াতে গিয়ে কেটলি দিয়ে আঘাত করি। কিন্তু কেটলিতে গরম পানি ছিল আমার জানা ছিল না। এ ঘটনায় আমি নিজেই অনুতপ্ত।’
ভুক্তভোগী সোহেল মোল্লার বাবা শাহাজাহান মোল্লা বলেন, ‘প্রথমে আলফাডাঙ্গা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেলেকে ঢাকায় রেফার করেছে। আমি গরিব মানুষ। আমার ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। টাকা-পয়সা নেই। এখন তার চিকিৎসা করাবো কীভাবে? আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবুল হাসনাত খাঁন জাগো নিউজকে বলেন, হাসপাতাল থেকে ছেলেটিকে দেখেছি। যেহেতু ঘটনাস্থল বোয়ালমারী থানায়, সে কারণে ভুক্তভোগীদের বোয়ালমারী থানায় পাঠানো হয়েছে।
পরে বোয়ালমারী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এন কে বি নয়ন/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?