পাথরঘাটায় ৩ দিনব্যাপী জেন্ডার ও নেতৃত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ 

নেতৃত্বাধীন লিঙ্গ ন্যায়সঙ্গত নেতৃত্ব, অন্তর্ভুক্তিমুলক শাসন এবং শান্তিপূর্ন সামাজিক অংশগ্রহণের উপর তিনদিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সকাল ৯ টায় পাথরঘাটা ইয়ূথ হাবে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস’র বাস্তবায়নে ও একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় যুব নেতৃত্বাধীন জেন্ডার-জাস্ট নেতৃত্ব, অন্তর্ভূক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তরূণদের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ, সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি এবং সামাজিক বৈষম্য মোকাবেলায় যুবদের ভুমিকা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। উদ্বোধনের শুরুতে স্বাগত রাখেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো.মনিরুজ্জামান। প্রশিক্ষণে পাথরঘাটা উপজেলার সদর, চরদুয়ানী, কাঠালতলী, কালমেঘা ও পাথরঘাটা পৌরসভার ২৫ জন যুব সদস্য অংশগ্রহণ করেন। জানা যায়, সমাজে টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং ন্যায়সঙ্গত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য লিঙ্গ-ন্যায়সঙ্গত নেতৃত্ব, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশে অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, বিভিন্ন এলাকায় নারী, যুবক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ সীমিত রয়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে, অংশগ্রহণমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশ

পাথরঘাটায় ৩ দিনব্যাপী জেন্ডার ও নেতৃত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ 

নেতৃত্বাধীন লিঙ্গ ন্যায়সঙ্গত নেতৃত্ব, অন্তর্ভুক্তিমুলক শাসন এবং শান্তিপূর্ন সামাজিক অংশগ্রহণের উপর তিনদিনের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) সকাল ৯ টায় পাথরঘাটা ইয়ূথ হাবে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস’র বাস্তবায়নে ও একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় যুব নেতৃত্বাধীন জেন্ডার-জাস্ট নেতৃত্ব, অন্তর্ভূক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, তরূণদের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ, সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি এবং সামাজিক বৈষম্য মোকাবেলায় যুবদের ভুমিকা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

উদ্বোধনের শুরুতে স্বাগত রাখেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো.মনিরুজ্জামান। প্রশিক্ষণে পাথরঘাটা উপজেলার সদর, চরদুয়ানী, কাঠালতলী, কালমেঘা ও পাথরঘাটা পৌরসভার ২৫ জন যুব সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

জানা যায়, সমাজে টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং ন্যায়সঙ্গত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য লিঙ্গ-ন্যায়সঙ্গত নেতৃত্ব, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশে অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, বিভিন্ন এলাকায় নারী, যুবক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ সীমিত রয়ে গেছে।

এই প্রেক্ষাপটে, অংশগ্রহণমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, লিঙ্গ সমতা, মানবাধিকার এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে শক্তিশালী করনে এ প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়াও ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যাতে তারা বৈষম্য ও সহিংসতা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক সমাজ গঠনে কার্যকর ভাবে অবদান রাখতে পারবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow