পাথরঘাটায় ৩৮ লাখ টাকার সমমূল্যের ১৯০ ব্যারেল তেল জব্দ
বরগুনার পাথরঘাটায় অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেলের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৯০ ব্যারেল তেল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় গাজী স্টোরের মালিক মো. আব্দুল্লাহ গাজীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন পাথরঘাটা উপজেলার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপশ পাল। এ সময় গাজী স্টোরে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযান চলাকালে ১৯০ ব্যারেল তেল জব্দ করা হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. আব্দুল্লাহ গাজীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে জব্দকৃত তেল স্থানীয় সাগরগামী মাছ ধরার ট্রলারগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়, যাতে জেলেরা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারেন। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে পাথরঘাটায় জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় ট্রলার মালিক ও জেলেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপশ পাল জানান, “অবৈধভাবে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্য
বরগুনার পাথরঘাটায় অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেলের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১৯০ ব্যারেল তেল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় গাজী স্টোরের মালিক মো. আব্দুল্লাহ গাজীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন পাথরঘাটা উপজেলার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপশ পাল। এ সময় গাজী স্টোরে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযান চলাকালে ১৯০ ব্যারেল তেল জব্দ করা হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. আব্দুল্লাহ গাজীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
পরে জব্দকৃত তেল স্থানীয় সাগরগামী মাছ ধরার ট্রলারগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়, যাতে জেলেরা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারেন। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে পাথরঘাটায় জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দেওয়ায় ট্রলার মালিক ও জেলেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপশ পাল জানান, “অবৈধভাবে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে বাজারে স্বস্তি ফিরবে এবং জেলেরা উপকৃত হবেন।
What's Your Reaction?