পানামার বিদায়, টিকে রইল ক্রোয়েশিয়া
বিশ্বকাপে টিকে রইল ক্রোয়েশিয়া। বিদায় নিতে হলো পানামাকে। গ্রুপ ‘এল’-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পানামাকে ১-০ গোলে হারিয়ে আশা জাগিয়ে রাখল আন্তে বুদিমির দল। দলের জয়ে ৫৪ মিনিটে একমাত্র গোলটি তিনিই করেছেন করেছেন। ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনার। নিজেদের প্রথম ম্যাচ হারের যন্ত্রণা ভুলে দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া ছিল। প্রথমার্ধে পানামা বেশ ভালো ফুটবল উপহার দেয়। কিন্তু বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় ক্রোয়েশিয়া। এতে সফলও হয় তারা। এর ফলে টানা দুই ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল পানামা। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৪-২ গোলে হেরেছিল ক্রোয়েশিয়া। আর ঘানার বিপক্ষে পানামার হার ১-০ গোলে। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এখন এই গ্রুপের শীর্ষে আছে ইংল্যান্ড। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দুইয়ে আছে ঘানা। ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ক্রোয়েশিয়া। এদিকে ইংল্যান্ডকে রুখে দিয়েছে ঘানা। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই রক্ষণের বাইরে কোনো কিছু চিন্তা করেনি ঘানা। প্রথমার্ধে প্রায় ৮৮ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখেও প্রতিপক্ষের গোলমুখে কোনো কার্যকর আক্রমণ শানাতে পারেনি ইংল্যান্ড। ননি মাদুয
বিশ্বকাপে টিকে রইল ক্রোয়েশিয়া। বিদায় নিতে হলো পানামাকে। গ্রুপ ‘এল’-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পানামাকে ১-০ গোলে হারিয়ে আশা জাগিয়ে রাখল আন্তে বুদিমির দল। দলের জয়ে ৫৪ মিনিটে একমাত্র গোলটি তিনিই করেছেন করেছেন।
ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনার। নিজেদের প্রথম ম্যাচ হারের যন্ত্রণা ভুলে দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া ছিল। প্রথমার্ধে পানামা বেশ ভালো ফুটবল উপহার দেয়। কিন্তু বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় ক্রোয়েশিয়া।
এতে সফলও হয় তারা। এর ফলে টানা দুই ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল পানামা। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৪-২ গোলে হেরেছিল ক্রোয়েশিয়া। আর ঘানার বিপক্ষে পানামার হার ১-০ গোলে। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এখন এই গ্রুপের শীর্ষে আছে ইংল্যান্ড। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দুইয়ে আছে ঘানা। ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ক্রোয়েশিয়া।
এদিকে ইংল্যান্ডকে রুখে দিয়েছে ঘানা। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই রক্ষণের বাইরে কোনো কিছু চিন্তা করেনি ঘানা। প্রথমার্ধে প্রায় ৮৮ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখেও প্রতিপক্ষের গোলমুখে কোনো কার্যকর আক্রমণ শানাতে পারেনি ইংল্যান্ড। ননি মাদুয়েকে ডান প্রান্তে কিছুটা গতি ছড়ালেও অন্য প্রান্তে অ্যান্থনি গর্ডন ছিলেন একেবারেই নিষ্ক্রিয়।
বিরতির পর মাঠের লড়াইয়ে আধিপত্য বাড়াতে বুকায়ো সাকা, ইবেরেচি এজে ও মরগান রজার্সদের মাঠে নামান টুখেল। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে মাঠে ছড়ায় তীব্র বিতর্ক; ঘানার বদলি ফরোয়ার্ড প্রিন্স আডুকে বক্সের বাইরে ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড ফাউল করলেও রেফারি উল্টো ইংল্যান্ডের পক্ষে ফ্রি-কিকের নির্দেশ দেন। রেফারি কোনো কার্ড না দেখানোয় ভিএআর এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারেনি।
ম্যাচের ৮৬ মিনিটে প্রথমে সাকার বাঁকানো শট ঘানার গোলরক্ষক আসারে ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন। ঠিক তার পরের মিনিটে রিস জেমসের ক্রস থেকে বদলি খেলোয়াড় নিকো ও’রেইলির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে মাত্র সাত গজ দূর থেকে গোল করার একদম নিশ্চিত সুযোগ পেয়েও বল আকাশে ভাসিয়ে দেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
শেষ পর্যন্ত কার্লোস কুইরোসের ডিফেন্সিভ মাস্টারক্লাসের কাছে পয়েন্ট হারিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ইংল্যান্ডকে। এ ড্রয়ের সুবাদে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল ঘানা।
What's Your Reaction?