পানিতে থইথই ফরিদপুর হাসপাতাল

গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢুকে পড়ছে পানি। ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগী-স্বজন ও চিকিৎসকরা। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত এ পানি থইথই অবস্থা দেখা যায়। এতে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগীকেই নোংরা পানি মাড়িয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুরাতন ভবনের জরুরি বিভাগের সামনে পানি ঢুকেছে। এতে রোগীসহ স্বজন ও চিকিৎসকদের ভোগান্তি এবং সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। আকবর হোসেন নামে একজন রোগীর স্বজন ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, হাসপাতালের ভেতরে পানি। নোংরা ও দূষিত পানি জমে থাকায় রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দুর্ভোগ বেড়েছে। সকালের বৃষ্টির পর থেকেই পানি জমে যায় পুরাতন ভবনের নিচে। এতে রোগীসহ সবার চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়। আরেক রোগীর স্বজন লাভলি বেগম বলেন, কয়েকদিন ধরে আমার বোনকে নিয়ে হাসপাতালে রয়েছি। আজ হাসপাতালে পানিতে থইথই অবস্থা। কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আমাদের খুব ভোগান্তি ও কষ্ট হয়। হাসপাতালের চিকি

পানিতে থইথই ফরিদপুর হাসপাতাল

গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢুকে পড়ছে পানি। ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগী-স্বজন ও চিকিৎসকরা।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত এ পানি থইথই অবস্থা দেখা যায়। এতে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগীকেই নোংরা পানি মাড়িয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুরাতন ভবনের জরুরি বিভাগের সামনে পানি ঢুকেছে। এতে রোগীসহ স্বজন ও চিকিৎসকদের ভোগান্তি এবং সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

আকবর হোসেন নামে একজন রোগীর স্বজন ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, হাসপাতালের ভেতরে পানি। নোংরা ও দূষিত পানি জমে থাকায় রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দুর্ভোগ বেড়েছে। সকালের বৃষ্টির পর থেকেই পানি জমে যায় পুরাতন ভবনের নিচে। এতে রোগীসহ সবার চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।

আরেক রোগীর স্বজন লাভলি বেগম বলেন, কয়েকদিন ধরে আমার বোনকে নিয়ে হাসপাতালে রয়েছি। আজ হাসপাতালে পানিতে থইথই অবস্থা। কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আমাদের খুব ভোগান্তি ও কষ্ট হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ভারী বৃষ্টি হলেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। বাইরের পানির লাইন সমস্যা থাকায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ত্রুটি রয়েছে। আমরা আশা করব পৌরসভা এই সমস্যা সমাধানে জরুরি পদক্ষেপ নেবে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. হুমায়ুন কবীরের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এন কে বি নয়ন/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow