পাবনার ঘটনা জাতিকে লজ্জিত করেছে : ইসলামী ছাত্র আন্দোলন
পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গভীর শোক ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটি বলেছে, এ ঘটনা কেবল একটি পরিবারের ওপর বর্বর হামলা নয়, বরং তা সমগ্র জাতিকে লজ্জিত ও স্তম্ভিত করেছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দেশে ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অপরাধীরা আইনের ফাঁকফোকর গলে বেরিয়ে আসছে, বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রিতায় আটকে থাকছে, ফলে তাদের মধ্যে আইনের প্রতি ভয়-ভীতি ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এ ধরনের নৃশংসতা প্রমাণ করে, অপরাধীদের মধ্যে আইনের প্রতি ন্যূনতম ভয়ও অবশিষ্ট নেই।
নেতৃদ্বয় বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্রে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে নারী ও শিশু আজ ঘরেও নিরাপদ নয়, বাইরে তো নয়ই। দাদি-নাতনির মতো হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ড জাতির বিবেককে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তারা অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ দৃষ্টা
পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গভীর শোক ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটি বলেছে, এ ঘটনা কেবল একটি পরিবারের ওপর বর্বর হামলা নয়, বরং তা সমগ্র জাতিকে লজ্জিত ও স্তম্ভিত করেছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দেশে ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অপরাধীরা আইনের ফাঁকফোকর গলে বেরিয়ে আসছে, বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রিতায় আটকে থাকছে, ফলে তাদের মধ্যে আইনের প্রতি ভয়-ভীতি ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এ ধরনের নৃশংসতা প্রমাণ করে, অপরাধীদের মধ্যে আইনের প্রতি ন্যূনতম ভয়ও অবশিষ্ট নেই।
নেতৃদ্বয় বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্রে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে নারী ও শিশু আজ ঘরেও নিরাপদ নয়, বাইরে তো নয়ই। দাদি-নাতনির মতো হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ড জাতির বিবেককে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তারা অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ধর্ষণের বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবে কার্যকর করতে হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা বাড়ানো, তদন্তে গাফিলতি বন্ধ করা এবং অপরাধীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবমুক্ত রেখে বিচার সম্পন্ন করার নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারের ওপরও জোর দেন তারা।
সংগঠনটি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানায়, দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃশ্যমান বিচারপ্রক্রিয়া শুরু না হলে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বিবৃতির শেষাংশে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে আল্লাহর দরবারে ধৈর্য ধারণের তাওফিক কামনা করা হয়।