পাবিপ্রবির প্রধান ফটকে পোস্টার মারল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) প্রধান ফটকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টার লাগানোর অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৫টার দিকে মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় তিনজন ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এসে শেখ মুজিবের ছবিসংবলিত ১৫ আগস্টের তিনটি পোস্টার লাগিয়ে যান বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ক্যাম্পাসজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনাও শুরু হয়েছে।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পাবিপ্রবি শাখার সভাপতি শেহজাদ হাসানের এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে পোস্টার লাগানোর বিষয়টি প্রথমে সামনে আসে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নামফলকের পেছনে পোস্টারের আলামত পাওয়া যায়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়।
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৫৩ মিনিটের দিকে মুখে মাস্ক পরা তিনজন ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আসেন। তারা ফটকে তিনটি পোস্টার লাগানোর পর ঘটনাস্থলে ছবি তোলেন এবং দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। এ ঘটনায় জড়িতদের পরিচয় শনাক্
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) প্রধান ফটকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টার লাগানোর অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৫টার দিকে মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় তিনজন ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এসে শেখ মুজিবের ছবিসংবলিত ১৫ আগস্টের তিনটি পোস্টার লাগিয়ে যান বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ক্যাম্পাসজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনাও শুরু হয়েছে।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পাবিপ্রবি শাখার সভাপতি শেহজাদ হাসানের এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে পোস্টার লাগানোর বিষয়টি প্রথমে সামনে আসে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নামফলকের পেছনে পোস্টারের আলামত পাওয়া যায়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়।
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৫৩ মিনিটের দিকে মুখে মাস্ক পরা তিনজন ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আসেন। তারা ফটকে তিনটি পোস্টার লাগানোর পর ঘটনাস্থলে ছবি তোলেন এবং দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। এ ঘটনায় জড়িতদের পরিচয় শনাক্তে সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোজাহিদ হোসেন বলেন, আমি সাংগঠনিক কাজে ঢাকায় এসেছি। নেতাকর্মীদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানাব।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি হৃদয় আলম উল্লাস বলেন, আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাব।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, আমি বর্তমানে ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছি। বিষয়টি জানার পরপরই আমার প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের জানিয়েছি। তারা দ্রুত ক্যাম্পাসে যাবেন। তদন্তসাপেক্ষে যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।