‘পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ছাড়া ইরানের হাতে আর কোনো বিকল্প নেই’

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা ছাড়া ইরানের হাতে আর কোনো বিকল্প নেই, এমনই এক বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে। রক্ষণশীল মহল এবং বিশেষ করে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ফার্স নিউজে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সামনে পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জন ছাড়া আর কোনো পথ নেই। এটি করতে পারলেই কেবল ইরানকে দখল ও বিভক্ত করার সামরিক বিকল্প শত্রুপক্ষের টেবিল থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।  তবে কারও নাম প্রকাশবিহীন এই মন্তব্যটি এখন পর্যন্ত ইরানের কোনো সরকারি কর্মকর্তা সমর্থন করেননি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরই দাবি করে আসছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই দেশটির বিরুদ্ধে সংঘাতের অন্যতম প্রধান কারণ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রয়োজনীয় নিশ্চয়তা পেতে ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। তবেই নিশ্চিত হওয়া যাবে যে, বাকি বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। কেবল তখনই যথাযথ অবস্থান থেকে আলোচনা করা যাবে। এতে দাবি করা হয়, পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষ

‘পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ছাড়া ইরানের হাতে আর কোনো বিকল্প নেই’
পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা ছাড়া ইরানের হাতে আর কোনো বিকল্প নেই, এমনই এক বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে। রক্ষণশীল মহল এবং বিশেষ করে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ফার্স নিউজে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সামনে পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জন ছাড়া আর কোনো পথ নেই। এটি করতে পারলেই কেবল ইরানকে দখল ও বিভক্ত করার সামরিক বিকল্প শত্রুপক্ষের টেবিল থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।  তবে কারও নাম প্রকাশবিহীন এই মন্তব্যটি এখন পর্যন্ত ইরানের কোনো সরকারি কর্মকর্তা সমর্থন করেননি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরই দাবি করে আসছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই দেশটির বিরুদ্ধে সংঘাতের অন্যতম প্রধান কারণ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রয়োজনীয় নিশ্চয়তা পেতে ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। তবেই নিশ্চিত হওয়া যাবে যে, বাকি বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। কেবল তখনই যথাযথ অবস্থান থেকে আলোচনা করা যাবে। এতে দাবি করা হয়, পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা মানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশের সঙ্গে শক্তির ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা। এর অর্থ এই নয় যে যুদ্ধ হবে না; বরং সংঘাতের পরিধি নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে উঠবে। তবে এই অবস্থান ইরানের বহু শীর্ষ কর্মকর্তার বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তারা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, তেহরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো পরিকল্পনা নেই। এছাড়া সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এক ফতোয়ার মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। এ পর্যন্ত ইরানের শাসনব্যবস্থার কোনো অংশ বা রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম প্রকাশ্যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পক্ষে এ ধরনের যুক্তি উপস্থাপন করেনি। সূত্র : সিএনএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow