পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে সাগরিকা আক্তার বুলবুলি নামের এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী শিমুল মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। রোববার ভোররাতে সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত সাগরিকা আক্তার বুলবুলি সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামের ইন্তাজ আলী বিশ্বাসের মেয়ে এবং স্বামী শিমুল হোসেন একই উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের রহিম মিয়ার ছেলে।নিহতের পিতা ইন্তাজ আলী বিশ্বাস অভিযোগ করেন, বেশ কিছুদিন ধরে শিমুল তার স্ত্রী বুলবুলিকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করছিলেন। বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপও দিচ্ছিলেন। এর আগেও মারধর করার কারণে বুলবুলি বাবার বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। গত তিন দিন আগে শিমুল তাকে নিয়ে বাড়িতে আসেন। শনিবার গভীর রাতে বুলবুলিকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন শিমুল। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোররাতে বুলবুলি মারা যান।এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী শিমুল হোসেন পলাতক রয়েছেন। হত্যাকারী শিমুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আসা
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে সাগরিকা আক্তার বুলবুলি নামের এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী শিমুল মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। রোববার ভোররাতে সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাগরিকা আক্তার বুলবুলি সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামের ইন্তাজ আলী বিশ্বাসের মেয়ে এবং স্বামী শিমুল হোসেন একই উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের রহিম মিয়ার ছেলে।
নিহতের পিতা ইন্তাজ আলী বিশ্বাস অভিযোগ করেন, বেশ কিছুদিন ধরে শিমুল তার স্ত্রী বুলবুলিকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করছিলেন। বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপও দিচ্ছিলেন। এর আগেও মারধর করার কারণে বুলবুলি বাবার বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। গত তিন দিন আগে শিমুল তাকে নিয়ে বাড়িতে আসেন। শনিবার গভীর রাতে বুলবুলিকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন শিমুল। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোররাতে বুলবুলি মারা যান।
এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী শিমুল হোসেন পলাতক রয়েছেন। হত্যাকারী শিমুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আসাদউজ্জামান বলেন, ঘটনার সংবাদ শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
What's Your Reaction?