পারিশ্রমিক দিয়ে ইতিকাফ করানো যাবে?
আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো ইতিকাফ। ইতিকাফ তিন প্রকার। এর মধ্যে রমজানের শেষ দশদিন ইতেকাফ করা সুন্নতে মুআক্কাদায়ে কেফায়া। এই ইতিকাফের বিধানটি মূলত পুরুষদের জন্য, যা মসজিদের সাথে সম্পৃক্ত। এ ক্ষেত্রে কোনো মহল্লা বা এলাকা থেকে একজন পুরুষ ইতেকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে এটি আদায় হয়ে যাবে। আর কেউ ইতেকাফ না করলে সবাই গোনাহগার হবে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/২১১, আদ্দুররুল মুখতার : ২/৪৪৪) যিনি ইতিকাফ করবেন তিনি মুসলমান ও সুস্থ মস্তিষ্ক হওয়া জরুরি। একইসঙ্গে ইতিকাফকারী বুঝমান হতে হবে। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের সুস্থ মুসলামান ইতিকাফ করতে পারবেন। আমাদের দেশের অধিকাংশ এলাকায় রমজানের শেষ দশকে সাধারণত স্বস্তঃস্ফূর্তভাবেই ইতিকাফ করে থাকেন মুসল্লিরা। কিন্তু কিছু কিছু এলাকায় দেখা যায়, এলাকাবাসীর কেউ-ই ইতিকাফে বসতে চান না। এজন্য অন্য এলাকা থেকে বা নিজ এলাকা থেকে কোনো দরিদ্র ব্যক্তিকে খাবার ও পারিশ্রমিক দিয়ে ইতিকাফ করানো হয়। ইসলামি আইন ও ফেকাহশাস্ত্রবিদদের মতে, এ কাজটি ঠিক নয়। পারিশ্রমিকের মাধ্যমে ইতিকাফ করালে ইতিকাফ সহিহ হয় না। রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া
আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো ইতিকাফ। ইতিকাফ তিন প্রকার। এর মধ্যে রমজানের শেষ দশদিন ইতেকাফ করা সুন্নতে মুআক্কাদায়ে কেফায়া। এই ইতিকাফের বিধানটি মূলত পুরুষদের জন্য, যা মসজিদের সাথে সম্পৃক্ত।
এ ক্ষেত্রে কোনো মহল্লা বা এলাকা থেকে একজন পুরুষ ইতেকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে এটি আদায় হয়ে যাবে। আর কেউ ইতেকাফ না করলে সবাই গোনাহগার হবে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/২১১, আদ্দুররুল মুখতার : ২/৪৪৪)
যিনি ইতিকাফ করবেন তিনি মুসলমান ও সুস্থ মস্তিষ্ক হওয়া জরুরি। একইসঙ্গে ইতিকাফকারী বুঝমান হতে হবে। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের সুস্থ মুসলামান ইতিকাফ করতে পারবেন।
আমাদের দেশের অধিকাংশ এলাকায় রমজানের শেষ দশকে সাধারণত স্বস্তঃস্ফূর্তভাবেই ইতিকাফ করে থাকেন মুসল্লিরা। কিন্তু কিছু কিছু এলাকায় দেখা যায়, এলাকাবাসীর কেউ-ই ইতিকাফে বসতে চান না। এজন্য অন্য এলাকা থেকে বা নিজ এলাকা থেকে কোনো দরিদ্র ব্যক্তিকে খাবার ও পারিশ্রমিক দিয়ে ইতিকাফ করানো হয়।
ইসলামি আইন ও ফেকাহশাস্ত্রবিদদের মতে, এ কাজটি ঠিক নয়। পারিশ্রমিকের মাধ্যমে ইতিকাফ করালে ইতিকাফ সহিহ হয় না।
রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া বায়তুস সালামের (মিরপুর-১২) ফতোয়া বিভাগের মুশরিফ মুফতি আব্দুর রহমান হোসাইনী কালবেলাকে বলেন, বিনিময় নিয়ে ইতিকাফ করা বা করানো সম্পূর্ণ নাজায়েজ। কারণ ইতিকাফ একটি ইবাদত। আর ইবাদতের বিনিময় দেওয়া-নেওয়া নাজায়েজ। ওই লোকের ইতিকাফ দ্বারা সুন্নতে মুয়াক্কাদা (কেফায়া) এর দায়িত্ব আদায় হবে না। (জামে তিরমিজি : ১/৫১, তাবয়ীনুল হাকায়েক : ৬/১১৭, বাদায়েউস সানায়ে : ২/৪৪, মাবসূত,সারাখসী : ১৬/৩৭, খুলাসাতুল ফাতাওয়া : ৩/১১৪, ফাতাওয়া খানিয়া : ২/৩২৫, ফাতাওয়া বাযযাযিয়া : ৫/৩৭)
What's Your Reaction?