পায়ে হেঁটে ৩১ জেলা ঘুরে সাদিয়া সুলতানা এখন ভোলায়

পায়ে হেঁটে ৬৪ জেলা ভ্রমণের সাহসী মিশনে নেমে ৩১তম জেলা হিসেবে ভোলায় পৌঁছেছেন কক্সবাজারের তরুণী সাদিয়া সুলতানা। বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন নিয়ে বছরের প্রথম দিন পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ যাত্রায় দেশের বিচিত্র সংস্কৃতি ও মানুষের সান্নিধ্য পাওয়াই তার মূল লক্ষ্য। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাদিয়া সুলতানা কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফেরদৌস আহমেদের মেয়ে। তিনি চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি কলেজের বিবিএ শিক্ষার্থী। এ বছরের ১ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা থেকে তিনি এই যাত্রা শুরু করেন। মাঝপথে নির্বাচন ও রমজান মাসের কারণে কিছুদিন বিরতি দিলেও এখন পর্যন্ত তিনি দেশের ৩১টি জেলা ভ্রমণ সম্পন্ন করেছেন। বরগুনা জেলা সফর শেষে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি ভোলায় এসে পৌঁছান। সাদিয়া জানান, প্রতিটি জেলায় তিনি দুই দিন করে সময় দেন এবং প্রতিটি অঞ্চলের আলাদা ভাষা ও সংস্কৃতির স্বাদ নিচ্ছেন। একজন নারী হিসেবে একা ভ্রমণে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন জেলার ভ্রমণপিপাসু ও ফেসবুক বন্ধুরা তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন, যা তাকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে। ৬৪ জেলা

পায়ে হেঁটে ৩১ জেলা ঘুরে সাদিয়া সুলতানা এখন ভোলায়

পায়ে হেঁটে ৬৪ জেলা ভ্রমণের সাহসী মিশনে নেমে ৩১তম জেলা হিসেবে ভোলায় পৌঁছেছেন কক্সবাজারের তরুণী সাদিয়া সুলতানা। বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন নিয়ে বছরের প্রথম দিন পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ যাত্রায় দেশের বিচিত্র সংস্কৃতি ও মানুষের সান্নিধ্য পাওয়াই তার মূল লক্ষ্য।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাদিয়া সুলতানা কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফেরদৌস আহমেদের মেয়ে। তিনি চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি কলেজের বিবিএ শিক্ষার্থী। এ বছরের ১ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা থেকে তিনি এই যাত্রা শুরু করেন। মাঝপথে নির্বাচন ও রমজান মাসের কারণে কিছুদিন বিরতি দিলেও এখন পর্যন্ত তিনি দেশের ৩১টি জেলা ভ্রমণ সম্পন্ন করেছেন। বরগুনা জেলা সফর শেষে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি ভোলায় এসে পৌঁছান।

পায়ে হেঁটে ৩১ জেলা ঘুরে সাদিয়া সুলতানা এখন ভোলায়

সাদিয়া জানান, প্রতিটি জেলায় তিনি দুই দিন করে সময় দেন এবং প্রতিটি অঞ্চলের আলাদা ভাষা ও সংস্কৃতির স্বাদ নিচ্ছেন। একজন নারী হিসেবে একা ভ্রমণে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন জেলার ভ্রমণপিপাসু ও ফেসবুক বন্ধুরা তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন, যা তাকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে। ৬৪ জেলা ভ্রমণ শেষ করার পর তার পরবর্তী লক্ষ্য হলো এভারেস্ট জয়সহ বিশ্ব ভ্রমণে বের হওয়া।

সাদিয়া আরও জানান, বাড়িতে বাবা-মা জানে আমি ভ্রমণ পছন্দ করি। তাই আমাকে বারণ না করলেও তারা সময় সময়ই বলে সাবধানে ঘুরে বেড়াতে। মেয়ে হিসেবে আমি এখন পর্যন্ত মনে করি বাংলাদেশ ঠিক আছে। কারণ আমি একটি মেয়ে হয়ে একা একা পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়াচ্ছি।

পায়ে হেঁটে ৩১ জেলা ঘুরে সাদিয়া সুলতানা এখন ভোলায়

এ বিষয়ে ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, ৩১ জেলা ঘুরে ভোলায় একজন তরুণী এসেছেন বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাকে যদি নিরাপত্তা ও আইনগত সহযোগিতা লাগে অবশ্যই তাকে করা হবে বলে তিনি জানান।

জুয়েল সাহা বিকাশ/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow