পিকেকের নিরস্ত্রীকরণে নতুন আইনের খসড়া তুরস্কের

কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) নিরস্ত্রীকরণ, সংগঠনটি বিলুপ্ত করা এবং সদস্যদের দেশে ফেরানোর জন্য নতুন একটি আইনের খসড়া সংসদে জমা দিয়েছে তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি)। খবর শাফাক নিউজের। তুর্কি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খসড়া আইনে প্রাণঘাতী হামলায় জড়িত নন- এমন পিকেকে সদস্যদের বিচার ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া, শুধু সংগঠনের সদস্য হওয়ার অভিযোগে দণ্ডিতদের কারাদণ্ড স্থগিতের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া তদারকির জন্য তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট, কয়েকজন মন্ত্রী ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এমআইটি) প্রধানকে নিয়ে একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি পিকেকে সদস্যদের আত্মসমর্পণ ও নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য সংসদীয় কমিটিও থাকবে। ১৯৭৮ সালে আবদুল্লাহ ওজালানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত পিকেকে ১৯৮৪ সাল থেকে তুরস্কের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন পিকেকেকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। গত বছর কারাবন্দি নেতা আব

পিকেকের নিরস্ত্রীকরণে নতুন আইনের খসড়া তুরস্কের

কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) নিরস্ত্রীকরণ, সংগঠনটি বিলুপ্ত করা এবং সদস্যদের দেশে ফেরানোর জন্য নতুন একটি আইনের খসড়া সংসদে জমা দিয়েছে তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি)। খবর শাফাক নিউজের।

তুর্কি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খসড়া আইনে প্রাণঘাতী হামলায় জড়িত নন- এমন পিকেকে সদস্যদের বিচার ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া, শুধু সংগঠনের সদস্য হওয়ার অভিযোগে দণ্ডিতদের কারাদণ্ড স্থগিতের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়া তদারকির জন্য তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট, কয়েকজন মন্ত্রী ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এমআইটি) প্রধানকে নিয়ে একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি পিকেকে সদস্যদের আত্মসমর্পণ ও নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য সংসদীয় কমিটিও থাকবে।

১৯৭৮ সালে আবদুল্লাহ ওজালানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত পিকেকে ১৯৮৪ সাল থেকে তুরস্কের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন পিকেকেকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। গত বছর কারাবন্দি নেতা আবদুল্লাহ ওজালান সংগঠনটিকে অস্ত্র সমর্পণ, কংগ্রেস ডাকা ও আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow