পিরিয়ডে পেট ফাঁপা? জেনে নিন সহজ সমাধান

পিরিয়ড বা মাসিকের সময় অনেক নারী নানা ধরনের শারীরিক অস্বস্তির সম্মুখীন হন। তলপেটে ব্যথা, ক্লান্তি, মেজাজের পরিবর্তন কিংবা মাথাব্যথার পাশাপাশি পেট ফাঁপার সমস্যাও এ সময় বেশ সাধারণ। হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে শরীরে অতিরিক্ত পানি জমে গেলে এই অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন এনে সহজেই এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। পটাসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন মাসিক চলাকালে শরীরে পানি জমে থাকার প্রবণতা বাড়ে, যা পেট ফাঁপার অন্যতম কারণ। এ সমস্যা কমাতে কলা, অ্যাভোকাডো, পালং শাক ও মিষ্টি আলুর মতো পটাসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উপকারী। পটাসিয়াম শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত তরল বের করে দিতে সহায়তা করে। ফলে ফোলাভাব কমতে পারে। আরও পড়ুন পিরিয়ডের রক্তেই মিলতে পারে লুকিয়ে থাকা নানা রোগের ইঙ্গিত বেশি পানি রয়েছে এমন খাবার খান শরীর পর্যাপ্ত পানি না পেলে উল্টো বেশি পানি ধরে রাখতে শুরু করে, যা পেট ফাঁপাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই শসা, তরমুজ ও কমলার মতো পানি-সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা ভালো। এসব খাবার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও

পিরিয়ডে পেট ফাঁপা? জেনে নিন সহজ সমাধান

পিরিয়ড বা মাসিকের সময় অনেক নারী নানা ধরনের শারীরিক অস্বস্তির সম্মুখীন হন। তলপেটে ব্যথা, ক্লান্তি, মেজাজের পরিবর্তন কিংবা মাথাব্যথার পাশাপাশি পেট ফাঁপার সমস্যাও এ সময় বেশ সাধারণ। হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে শরীরে অতিরিক্ত পানি জমে গেলে এই অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন এনে সহজেই এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

পটাসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন

মাসিক চলাকালে শরীরে পানি জমে থাকার প্রবণতা বাড়ে, যা পেট ফাঁপার অন্যতম কারণ। এ সমস্যা কমাতে কলা, অ্যাভোকাডো, পালং শাক ও মিষ্টি আলুর মতো পটাসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উপকারী। পটাসিয়াম শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত তরল বের করে দিতে সহায়তা করে। ফলে ফোলাভাব কমতে পারে।

বেশি পানি রয়েছে এমন খাবার খান

শরীর পর্যাপ্ত পানি না পেলে উল্টো বেশি পানি ধরে রাখতে শুরু করে, যা পেট ফাঁপাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই শসা, তরমুজ ও কমলার মতো পানি-সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা ভালো। এসব খাবার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজও সরবরাহ করে। এছাড়া এগুলো প্রাকৃতিকভাবে শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল ও বর্জ্য বের করতে সাহায্য করে।

আদা রাখতে পারেন দৈনন্দিন খাবারে

আদা হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং অন্ত্রের পেশিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। এর ফলে গ্যাস, বদহজম ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যা কমতে পারে। পাশাপাশি মাসিকের সময় হওয়া ক্র্যাম্পের অস্বস্তিও কিছুটা উপশম হতে পারে। চা, স্মুদি বা বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে আদা যোগ করে খাওয়া যেতে পারে।

পেপারমিন্ট চা হতে পারে উপকারী

পেপারমিন্ট চায়ের মেন্থল উপাদান পরিপাকতন্ত্রের পেশিকে শিথিল করতে সহায়তা করে। এতে গ্যাসের পরিমাণ কমতে পারে এবং পেটের ফোলাভাবও হ্রাস পায়। অনেকের ক্ষেত্রে এটি মাসিকের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে। সকালে বা খাবারের পর এক কাপ গরম পেপারমিন্ট চা পান করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলা ভালো

মাসিকের সময় কিছু খাবার পেট ফাঁপার সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই প্রক্রিয়াজাত খাবার, লাল মাংস, অতিরিক্ত ক্যাফেইন, অ্যালকোহল এবং কিছু দুগ্ধজাত খাবার যতটা সম্ভব সীমিত রাখা ভালো। এসব খাবার এড়িয়ে চললে ফোলাভাব ও অস্বস্তি কমানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: হেলথ লাইন

জেএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow