পিরোজপুরে পা বেঁধে পানিতে ফেলে দুই ছাগলকে হত্যার অভিযোগ

পিরোজপুরের নেছারাবাদে গাছপালা ও ফসল নষ্ট করায় ক্ষুব্ধ হয়ে দুটি ছাগলকে পা বেঁধে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কৃষক সুনীল হালদারের বিরুদ্ধে। তিনি উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের মৈশানী গ্রামের মৃত মনোহর হালদারের ছেলে। রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের মৈশানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, মৈশানী গ্রামের হালিম হাওলাদারের দুটি ছাগল পাশের বাড়ির সুনীল হালদারের জমিতে গিয়ে গাছপালা ও ফসল নষ্ট করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুনীল হালদার ছাগল দুটিকে ধরে পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা ডোবা থেকে ছাগল দুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। ছাগলের মালিক হালিম হাওলাদার বলেন, ‘ভুলক্রমে ছাগল দুটি আমার প্রতিবেশী সুনীল হাওলাদারের ফসলি জমিতে চলে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ছাগল দুটির পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেন। ছাগল দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে তার ফসলি জমির পাশের ডোবায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছাগল দুটিকে ভাসতে দেখি। সুনীল হালদারই ছাগল দুটি মেরে ফেলেছেন। এর আগেও তিনি এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমি ছাগল হত্যার বিচার চাই।’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুনীল হালদার। তিনি বলেন

পিরোজপুরে পা বেঁধে পানিতে ফেলে দুই ছাগলকে হত্যার অভিযোগ

পিরোজপুরের নেছারাবাদে গাছপালা ও ফসল নষ্ট করায় ক্ষুব্ধ হয়ে দুটি ছাগলকে পা বেঁধে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কৃষক সুনীল হালদারের বিরুদ্ধে। তিনি উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের মৈশানী গ্রামের মৃত মনোহর হালদারের ছেলে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের মৈশানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, মৈশানী গ্রামের হালিম হাওলাদারের দুটি ছাগল পাশের বাড়ির সুনীল হালদারের জমিতে গিয়ে গাছপালা ও ফসল নষ্ট করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুনীল হালদার ছাগল দুটিকে ধরে পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা ডোবা থেকে ছাগল দুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

ছাগলের মালিক হালিম হাওলাদার বলেন, ‘ভুলক্রমে ছাগল দুটি আমার প্রতিবেশী সুনীল হাওলাদারের ফসলি জমিতে চলে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ছাগল দুটির পা বেঁধে পানিতে ফেলে দেন। ছাগল দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে তার ফসলি জমির পাশের ডোবায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছাগল দুটিকে ভাসতে দেখি। সুনীল হালদারই ছাগল দুটি মেরে ফেলেছেন। এর আগেও তিনি এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমি ছাগল হত্যার বিচার চাই।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুনীল হালদার। তিনি বলেন, ‘ছাগল দুটি প্রায়ই আমার ফসলি জমিতে ঘাস খেতে আসত। আমি কখনো তাদের আঘাত করিনি। ছাগলের মালিককে এগুলো বেঁধে পালতে বলেছি। তার সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ভালো নয়। এ কারণে তিনি আমার বিরুদ্ধে অপবাদ দিচ্ছেন। আমি ছাগল হত্যা করিনি।’

এ বিষয়ে ওয়ার্ড সদস্য ও সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রুবেল গাজী বলেন, ‘বিষয়টি শুনে আমি মর্মাহত হয়েছি। এভাবে দুটি প্রাণীকে নির্দয়ভাবে হত্যা করে থাকলে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির শাস্তি হওয়া উচিত। তবে ছাগল দুটিকে মেরে ফেলার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার রহস্য এখনো জানা যায়নি।’

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow