পীরগঞ্জ হাসপাতালে আইপিএসের ব্যবস্থা করলেন ইউএনও
বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারে থাকা ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২০ এপ্রিল) পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের সার্বিক অবস্থা ঘুরে দেখেন ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রোগীদের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন। এসময় তিনি চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানে উদ্যোগ নেন। এর আগে সোমবার সকালে জাগো নিউজে ‘বিদ্যুৎ গেলেই অন্ধকারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোগান্তিতে রোগীরা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। আরও পড়ুন:বিদ্যুৎ গেলেই অন্ধকারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোগান্তিতে রোগীরা ইউএনও গোলাম রব্বানী সরদার জানান, চিকিৎসা সেবা যেন ব্যাহত না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে একটি আইপিএসের (ইনভার্টার পাওয়ার সিস্টেম) ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে সরেজমিনে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা
বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারে থাকা ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের সার্বিক অবস্থা ঘুরে দেখেন ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রোগীদের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন। এসময় তিনি চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানে উদ্যোগ নেন।
এর আগে সোমবার সকালে জাগো নিউজে ‘বিদ্যুৎ গেলেই অন্ধকারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোগান্তিতে রোগীরা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।
আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎ গেলেই অন্ধকারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোগান্তিতে রোগীরা
ইউএনও গোলাম রব্বানী সরদার জানান, চিকিৎসা সেবা যেন ব্যাহত না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে একটি আইপিএসের (ইনভার্টার পাওয়ার সিস্টেম) ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে সরেজমিনে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের অন্ধকারেই থাকতে হচ্ছে। হাসপাতালের বেডে এক রোগীর শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে, এসময় ঠিক মতো রক্ত সঞ্চালন হচ্ছে কিনা তার মেয়ে মোবাইল ফোনের আলো দিয়ে বারবার পর্যবেক্ষণ করছিল।
একইভাবে নার্সদেরও মোবাইলের আলো ব্যবহার করে রোগীর রক্তচাপ মাপা ও ওষুধ দিতে দেখা গেছে। অতিরিক্ত গরমে রোগী ও স্বজনদের হাঁসফাঁস অবস্থা। রোগীদের হাত পাখা দিয়ে বাতাস করছেন তাদের স্বজনরা। আলোর ব্যবস্থা না থাকায় বেড থেকে রোগী মেঝেতে পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।
অথচ হাসপাতালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় রোগীদের ওয়ার্ড অন্ধকার থাকলেও নিচ তলায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতার বন্ধ কার্যালয়ে বিনা প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থায় লাইট জ্বালিয়ে রাখা হয়েছিল।
তানভীর হাসান তানু/এমএন/এএসএম
What's Your Reaction?