পুকুরে মিলল মাদ্রাসাছাত্রের লাশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পুকুর থেকে আলী আজগর (৮) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের খেওড়া গ্রামে মাদ্রাসার উত্তর পাশে একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আলী আজগর উপজেলার খেওড়া মধ্যপাড়া গ্রামের মো. রাজিব মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে মাদ্রাসার মাঠে খেলতে যায় আলী আজগর। সন্ধ্যায় অন্যান্য শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসায় ফিরে এলেও সে আর ফিরে না আসায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ, স্বজন ও স্থানীয়রা মাইকিংসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি।
পরে মঙ্গলবার দুপুরে শিশুটির বাবা মাদ্রাসার উত্তর পাশে একটি পুকুরের পাড়ে গেলে পানিতে ভাসমান অবস্থায় ছেলের জুতা দেখতে পান। স্থানীয় লোকজন জাল দিয়ে পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে মাদ্রাসা ছাত্র আলী আজগরের মরদেহ উদ্ধার করেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এসময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় মরদেহ স্থানীয় কবরস্
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পুকুর থেকে আলী আজগর (৮) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের খেওড়া গ্রামে মাদ্রাসার উত্তর পাশে একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আলী আজগর উপজেলার খেওড়া মধ্যপাড়া গ্রামের মো. রাজিব মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে মাদ্রাসার মাঠে খেলতে যায় আলী আজগর। সন্ধ্যায় অন্যান্য শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসায় ফিরে এলেও সে আর ফিরে না আসায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ, স্বজন ও স্থানীয়রা মাইকিংসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি।
পরে মঙ্গলবার দুপুরে শিশুটির বাবা মাদ্রাসার উত্তর পাশে একটি পুকুরের পাড়ে গেলে পানিতে ভাসমান অবস্থায় ছেলের জুতা দেখতে পান। স্থানীয় লোকজন জাল দিয়ে পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে মাদ্রাসা ছাত্র আলী আজগরের মরদেহ উদ্ধার করেন।
খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এসময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
কসবা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক হোসেন জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, শিশুটির পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পুকুর থেকে এক মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছি। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় তারা মরদেহ দাফন করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।