পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কারণ কী, যেসব খাবার শুক্রাণু বাড়ায়

2 months ago 5
সন্তান ধারণে ব্যর্থতা কেবল নারীর কারণে ঘটে—এমন ভ্রান্ত ধারণা সমাজে প্রচলিত থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, বন্ধ্যাত্ব নারী ও পুরুষ উভয়েরই হতে পারে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অনেক সময়ই পুরুষের বন্ধ্যাত্বই কোনো দম্পতির সন্তান না হওয়ার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়। পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কারণ কী? ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রধান পরামর্শক অধ্যাপক ডা. মোসাম্মাত রাশিদা বেগম জানান, পুরুষের বন্ধ্যাত্ব প্রধানত শুক্রাণুজনিত সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। যেমন— শুক্রাণু তৈরি না হওয়া, পরিমাণে খুব কম তৈরি হওয়া, শুক্রানুর গতিশীলতার ঠিক না থাকা বা আকৃতিগত ত্রুটি, সহবাসে অক্ষমতার কারণে শুক্রাণু নারীর দেহে পৌঁছাতে না পারা। ডা. রাশিদা জানান, ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই শুক্রাণুর ঘাটতির নির্দিষ্ট কোনো কারণ পাওয়া না গেলেও আধুনিক জীবনযাপন, দূষণ, অতিরিক্ত গরম পরিবেশে কাজ, ধূমপান-অ্যালকোহল গ্রহণ, ভিটামিন ও জিংকের ঘাটতি, কীটনাশকযুক্ত খাবার এসবই শুক্রাণুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া, ডায়াবেটিস, হরমোনের অসাম্যতা, হেপাটাইটিস চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিহেপাটিক, গ্যাস্ট্রিকের জন্য অ্যান্টি আলসারেন্ট জাতীয় ওষুধ, হার্টজনিত ব্যথার জন্য সালফাসালাজিন, মেথোট্রেক্সেট, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপির মতো ক্যানসারের ওষুধ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ছাড়া অণ্ডকোষে সংক্রমণ, আঘাত বা কোনো কারণে যদি নালী বন্ধ হয়ে যায় তাহলে পর্যাপ্ত শুক্রাণু তৈরি হলেও বীর্যে মিশতে পারে না। কারো কারো জন্মগতভাবে নালী তৈরি না হওয়ার কারণেও শুক্রাণু বাইরে আসতে পারে না, যা বন্ধ্যাত্বের কারণ।
Read Entire Article