পুরোনো ও অকেজো রেল নিলামে বিক্রি সম্ভব নয়: সংসদে রেলমন্ত্রী
বাংলাদেশ রেলওয়ের পুরোনো ও অকেজো রেলসমূহ নিলামে বিক্রি করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এর কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, এসব অকেজো রেল পরবর্তীতে রেলওয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উইং তথা এমব্যাঙ্কমেন্ট প্রটেকশন বা বাঁধ সুরক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন অবৈধ লেভেলক্রসিং গেটসমূহে রেলফেন্সিং বা বেড়া দেওয়ার কাজেও এগুলো অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি বলেন, ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি একটি বিশাল অঙ্কের আর্থিক ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে। অকেজো রেলসমূহ এভাবে সরাসরি রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কাজে পুনর্ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় তা উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সপ্তম দিনে সংসদে উত্থাপিত আলাদা দুটি প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। এদিন সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন লাইনে বর্তমানে রেলওয়ে ট্র্যাক রিনিউয়াল বা ট্র্যাক পরিবর্
বাংলাদেশ রেলওয়ের পুরোনো ও অকেজো রেলসমূহ নিলামে বিক্রি করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
এর কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, এসব অকেজো রেল পরবর্তীতে রেলওয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উইং তথা এমব্যাঙ্কমেন্ট প্রটেকশন বা বাঁধ সুরক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন অবৈধ লেভেলক্রসিং গেটসমূহে রেলফেন্সিং বা বেড়া দেওয়ার কাজেও এগুলো অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি একটি বিশাল অঙ্কের আর্থিক ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে। অকেজো রেলসমূহ এভাবে সরাসরি রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কাজে পুনর্ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় তা উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা সম্ভব নয়।
সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সপ্তম দিনে সংসদে উত্থাপিত আলাদা দুটি প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এদিন সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন লাইনে বর্তমানে রেলওয়ে ট্র্যাক রিনিউয়াল বা ট্র্যাক পরিবর্তনের কাজ চলমান রয়েছে। এই কাজ চলাকালীন রেলপথে ব্যবহারযোগ্য রেলসমূহ সংশ্লিষ্ট কাজের স্থানেই সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করা হয় এবং পরবর্তীতে এগুলো দিয়েই রেল রিপ্লেসমেন্টের কাজ সম্পন্ন করা হয়। রেল পরিবর্তনকালীন এসব অকেজো বা পুরনো রেল সাময়িকভাবে অগোছালো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেলেও কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর তা নির্ধারিত নিরাপদ স্থানে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়।
পুরনো রেল নিলামে বিক্রি না করার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, এসব অকেজো রেল পরবর্তীতে রেলওয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উইং তথা এমব্যাঙ্কমেন্ট প্রটেকশন বা বাঁধ সুরক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন অবৈধ লেভেলক্রসিং গেটসমূহে রেলফেন্সিং বা বেড়া দেওয়ার কাজেও এগুলো অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি একটি বিশাল অঙ্কের আর্থিক ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে। অকেজো রেলসমূহ এভাবে সরাসরি রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কাজে পুনর্ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় তা উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা সম্ভব নয়।
সড়ক দুর্ঘটনা ও মহাসড়কে প্রাণহানি রোধে সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা সম্পর্কে সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে সড়কমন্ত্রী জানান, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বর্তমানে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। দেশের জেলা মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জাতীয় মহাসড়কসমূহের যেসব নির্দিষ্ট জায়গায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটে, সেই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক বা স্থানগুলোকে ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেসব স্থানে দ্রুত সংস্কার কাজ পরিচালনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সাইন-সিগন্যাল স্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে স্পিডব্রেকার নির্মাণ, জেব্রা ক্রসিং এবং রাম্বল স্ট্রিপ বা গতিরোধক রেখা স্থাপন করার কাজও পুরোদমে চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, বরং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধসহ সামগ্রিক সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ব্যাপক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন বা প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ‘বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো সড়ক দুর্ঘটনাজনিত কারণে হতাহত এবং গুরুতর আঘাতের সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার ভিত্তিতে উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করা।
পাশাপাশি গাড়িচালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা বিআরটিএ-এর মাধ্যমে একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, এখন থেকে সারাদেশে বছরব্যাপী পেশাজীবী পরিবহন গাড়িচালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের পূর্বে বাধ্যতামূলকভাবে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেসার্স প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও অদক্ষ চালকদের কারণে মহাসড়কে যে প্রাণহানি ঘটে, তা প্রতিরোধে এ প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
এমওএস/এমকেআর
What's Your Reaction?