পুলিশ ম্যানেজের কথা বলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার টাকা আদায়
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পুলিশকে ম্যানেজ করার কথা বলে এক প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। বুধবার (১১ মার্চ) রাতে এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছে পুলিশ। স্থানীয় ও প্রবাসীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নে একজন দুবাই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সৌরভ দেওয়ান নামের একজনের পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বসে। সম্প্রতি ওই প্রবাসীর স্ত্রী সুমন নামের এক ছেলের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন। এ কারণে ৬ মার্চ রাতে ওই নারীর ফোনটি ছিনিয়ে নেন সৌরভ দেওয়ান। পরে ওই ফোন থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন তিনি। ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, ‘বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে বুধবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যায়। পরে পুলিশ ম্যানেজের কথা বলে ওই রাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা অলি তালুকদার ১০ হাজার টাকা, হামিদুল দেওয়ান ২০ হাজার টাকা ও লুৎফর তালুকদার পাঁচ হাজার টাকাসহ ৩৫ হাজার টাকা নেন।’ এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা অলি তালুকদার ও স্থানীয় হামিদুল দেওয়ান বলেন, ওই গৃহবধূর
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পুলিশকে ম্যানেজ করার কথা বলে এক প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাতে এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও প্রবাসীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নে একজন দুবাই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সৌরভ দেওয়ান নামের একজনের পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বসে। সম্প্রতি ওই প্রবাসীর স্ত্রী সুমন নামের এক ছেলের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন। এ কারণে ৬ মার্চ রাতে ওই নারীর ফোনটি ছিনিয়ে নেন সৌরভ দেওয়ান। পরে ওই ফোন থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন তিনি।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, ‘বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে বুধবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যায়। পরে পুলিশ ম্যানেজের কথা বলে ওই রাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা অলি তালুকদার ১০ হাজার টাকা, হামিদুল দেওয়ান ২০ হাজার টাকা ও লুৎফর তালুকদার পাঁচ হাজার টাকাসহ ৩৫ হাজার টাকা নেন।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা অলি তালুকদার ও স্থানীয় হামিদুল দেওয়ান বলেন, ওই গৃহবধূর পরিবারের কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বলেন, ঘটনাটি জানার পর এসআই মনিরুজ্জামান, তুলসী সেন, সৌমেন বিশ্বাসকে বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থালে পাঠাই। তারা কোনো লেনদেন করেছেন কি-না জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা কোনো টাকা পাইনি বা নেইনি।
শাওন খান/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?