পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন কর্মী-সমর্থকরা
পাবনার বেড়া মডেল থানার সামনে পুলিশের কাছ থেকে সোহেল রানা নামের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে থানা পাড়ার কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার। আরও পড়ুন হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন যুবলীগ নেতা সোহেল রানা বেড়া পৌরসভার শম্ভুপুর কাগমাইর এলাকার মৃত খন্দকার আয়নুল হকের ছেলে। তিনি বেড়া পৌর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেড়া মডেল থানার পাশে কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদ ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে সোহেল রানাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান কর্মী-সমর্থকরা। আরও পড়ুন গ্রামবাসীর বিক্ষোভে
পাবনার বেড়া মডেল থানার সামনে পুলিশের কাছ থেকে সোহেল রানা নামের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে থানা পাড়ার কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার।
সোহেল রানা বেড়া পৌরসভার শম্ভুপুর কাগমাইর এলাকার মৃত খন্দকার আয়নুল হকের ছেলে। তিনি বেড়া পৌর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেড়া মডেল থানার পাশে কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদ ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশের কাছ থেকে সোহেল রানাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান কর্মী-সমর্থকরা।
বেড়া মডেল থানার ওসি নয়ন কুমার বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে দুটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। তিনি স্টেডিয়াম এলাকায় অবস্থান করছেন খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ যায়। তবে গ্রেফতার করতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার সম্মুখীন হন তারা। স্থানীয় বেশ কয়েকজন পুলিশের কাজে বাধা দেয়।
তিনি আরও বলেন, সোহেল রানাকে পুনরায় গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। যারা পুলিশের কাজে বাধা দিয়েছেন, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
আলমগীর হোসাইন নাবিল/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?

