পেট্রল আছে, যানবাহন নেই অলস সময় কাটাচ্ছে পাম্প কর্মীরা

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তাদের মাঝে। তবে এর উল্টো চিত্র এখন দেখা যাচ্ছে পেট্রল পাম্পগুলোতে মজুত আছে পর্যাপ্ত, কিন্তু নেই আগের মতো ক্রেতার ভিড়। ফলে অনেকটা অলস সময় পার করছেন পাম্প কর্মীরা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিছুদিন আগেও যেখানে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যেত, সেখানে এখন পুরো পরিবেশই অনেকটা ফাঁকা। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের মাঝে নির্ধারিত পরিমাণে তেল সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় তেল পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার কারণে দ্রুত তেল পাওয়া যাচ্ছে। তবে অনেকেই মনে করছেন, আগে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের অজুহাতে তেল সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি অতিরিক্ত দামে বিক্রির প্রবণতাও কমেছে। পৌরশহরের ঘোড়াঘাট ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আহাদ হোসেন ব

পেট্রল আছে, যানবাহন নেই অলস সময় কাটাচ্ছে পাম্প কর্মীরা

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তাদের মাঝে। তবে এর উল্টো চিত্র এখন দেখা যাচ্ছে পেট্রল পাম্পগুলোতে মজুত আছে পর্যাপ্ত, কিন্তু নেই আগের মতো ক্রেতার ভিড়। ফলে অনেকটা অলস সময় পার করছেন পাম্প কর্মীরা।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিছুদিন আগেও যেখানে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যেত, সেখানে এখন পুরো পরিবেশই অনেকটা ফাঁকা। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের মাঝে নির্ধারিত পরিমাণে তেল সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে।

মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় তেল পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার কারণে দ্রুত তেল পাওয়া যাচ্ছে।

তবে অনেকেই মনে করছেন, আগে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের অজুহাতে তেল সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি অতিরিক্ত দামে বিক্রির প্রবণতাও কমেছে।

পৌরশহরের ঘোড়াঘাট ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আহাদ হোসেন বলেন, ‘বেচাকেনা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। স্টোরেজ ট্যাংকে তেল জমে থাকছে, আবার নতুন সরবরাহও আসছে। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার লিটার পেট্রল আসার অপেক্ষায় রয়েছে। যদি বিদ্যমান তেল শেষ না হয়, তাহলে লড়িতে তেল রেখে দিতে হবে যা আমাদের জন্য চাপ তৈরি করছে।’

পৌরশহরের সাধনা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ‘আগে প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার পেট্রল বিক্রি হতো। এখন সেই পরিমাণ তেল বিক্রি করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগছে। নতুন করে সরবরাহও আসছে, ফলে কোনো সংকট নেই।’

এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন বলেন, ‘ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার ফলে জ্বালানি সরবরাহে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। বর্তমানে কোনো সংকট নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow